সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ১৭-১৮): আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার পূর্বশর্ত

Hut

আগের আলোচনা: আয়াত ১-৬ | ৭-৮ | ৯-১২ | ১৩-১৪ | ১৫-১৬

18:17

18:18

১৭। (সে গুহাটি এমন ছিল যে,) তুমি সূর্যকে তার উদয়কালে দেখতে পেতে তা তাদের গুহার ডান দিক থেকে সরে চলে যায় এবং অস্তকালে বাম দিক দিয়ে তার পাশ কেটে যায়। আর তারা ছিল গুহার প্রশস্ত অংশে (শায়িত)। এসব আল্লাহর নিদর্শনাবলীর অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন সে-ই হিদায়াতপ্রাপ্ত হয়, আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন তুমি কখনোই তার এমন কোনো সাহায্যকারী পাবে না যে তাকে সৎপথে আনবে।

১৮। (তাদের দেখলে) তোমার মনে হতো তারা জাগ্রত, অথচ তারা ছিল নিদ্রিত। আমি তাদেরকে পার্শ্ব পরিবর্তন করাচ্ছিলাম ডানে ও বামে। আর তাদের কুকুর গুহামুখে সামনের পা দু’টি ছড়িয়ে (বসা) ছিল। তুমি যদি তাদেরকে উঁকি মেরে দেখতে, তবে তুমি তাদের থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালাতে এবং তাদের ভয়ে পরিপূর্ণভাবে ভীতিগ্রস্ত হয়ে পড়তে।

সংক্ষিপ্ত তাফসির:

ঈমানদার যুবকরা নিজ সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যে গুহায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছিল সেটি এমন ছিল যে, হে মুহাম্মাদ ﷺ, আপনি সূর্যকে তার উদয়কালে দেখতে পেতেন তা তাদের গুহার ডান দিক থেকে সরে চলে যায় এবং অস্তকালে বাম দিক দিয়ে তার পাশ কেটে যায়। গুহাটির অবস্থানস্থল এমন ছিল যে, তাতে রোদ ঢুকত না, সকালবেলা সূর্য ডান দিক থেকে এবং বিকালবেলা বাম দিক থেকে ঘুরে যেত। এভাবে তারা রোদের তাপ থেকে রক্ষা পেত। আর এতে করে যেমন তাদের দেহ ও কাপড় নষ্ট হতে পারেনি, তেমনি কাছাকাছি স্থানে রোদ পড়ার কারণে তারা আলো ও উষ্ণতার উপকারও লাভ করত। আর তারা ছিল গুহার প্রশস্ত অংশে শায়িত। গুহায় তাদের আশ্রয় গ্রহণ, সুদীর্ঘকাল নিদ্রা যাপন, রোদ থেকে রক্ষা পাওয়া – এসব কিছু ছিল আল্লাহর কুদরত ও হিকমতের বিশেষ নিদর্শন।

আল্লাহ যাকে হিদায়াত দেন সে-ই হিদায়াতপ্রাপ্ত হয় আর যাকে তিনি পথভ্রষ্ট করেন আপনি কখনোই তার এমন কোনো সাহায্যকারী পাবেন না যে তাকে সৎপথে আনবে।

তাদের দেখলে আপনার মনে হতো তারা জাগ্রত, অথচ তারা ছিল নিদ্রিত। অর্থাৎ, ঘুমন্ত ব্যক্তির ঘুমের যেসব আলামত দর্শকের দৃষ্টিগোচর হয় তাদের মাঝে তার কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। বরং তাদের দেখলে মনে হতো তারা জাগ্রত অবস্থায় শুয়ে আছে। আমি তাদেরকে পার্শ্ব পরিবর্তন করাচ্ছিলাম ডানে ও বামে, যাতে মাটি তাদের শরীরের মাংস খেয়ে না ফেলে। আর তাদের কুকুর গুহামুখে সামনের পা দু’টি ছড়িয়ে বসা ছিল। কুকুরটিও পার্শ্ব পরিবর্তন করছিল। শয়ন ও জাগরণের ক্ষেত্রে কুকুরটির অবস্থাও ছিল তাদের মতো। আপনি যদি তাদেরকে উঁকি মেরে দেখতেন, তবে আপনি তাদের থেকে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করে পালাতেন এবং তাদের ভয়ে পরিপূর্ণভাবে ভীতিগ্রস্ত হয়ে পড়তেন। এভাবেই ভীতির সঞ্চার করে লোকজনকে তাদের কাছে যাওয়া থেকে আল্লাহ নিবৃত্ত করেছেন। [তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন ও তাফসির আল-জালালাইন]

প্রাসঙ্গিক আলোচনা:

স্বল্পমেয়াদী ও সাময়িক নানাবিধ প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতার ছাঁকনিতে ছেঁকে সময়ে সময়ে আল্লাহ আমাদের ঈমান ও প্রত্যয়ের পরীক্ষা নেন। দৃঢ় ঈমানের অধিকারীরা আল্লাহর রহমতে এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। দোটানায় ভোগা ঈমানের দাবীদাররা ছাঁকনিতে আটকা পড়ে যান। ঈমানের এই পরীক্ষা যতই কঠিন হোক না কেন, আল্লাহর রাস্তায় চলতে গিয়ে চুড়ান্ত ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত থাকলে এবং চারিদিকে ক্রম-অবনতিশীল ঘটনার ঘনঘটায় হতোদ্যম হয়ে না পড়লে আপাতদৃষ্টিতে প্রতিকূল সব পরিস্থিতির মধ্যেও সামগ্রিক ঘটনাপ্রবাহকে দীর্ঘমেয়াদে আল্লাহ আমাদের জন্য অনুকূল করে দেবেন।

বান্দা আল্লাহর জন্য সবকিছু উজাড় করে দিলে তিনি তাকে সাহায্য করেন। অলৌকিক উপায়ে প্রেরিত গায়েবী সাহায্য তো আছেই, সেইসাথে প্রখর রোদ, তীব্র শীত, বৃষ্টি, পানি, মাটি, পশুপাখি, এমনকি শত্রুর মনের মধ্যে জেঁকে বসা ভয় – এসব সাধারণ বিষয় পর্যন্ত তখন হয়ে ওঠে আল্লাহর বাহিনী। দুনিয়ার কোনো শক্তি এই বাহিনীকে প্রতিহত করতে সক্ষম নয়।

আমাদের ইতিহাসে এরকম অসংখ্য ঘটনার বিবরণ পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, বদরের যুদ্ধের আগের রাতে বৃষ্টি হয়। এতে করে মুসলিম শিবিরের দিককার মাটি চলাচলের ও যুদ্ধের জন্য অনুকূল হয়ে যায়, কিন্তু কাফির শিবিরের দিককার মাটি চলাচলের জন্য প্রতিকূল হয়ে পড়ে। একই বৃষ্টি, যার মাধ্যমে কেউ আল্লাহর সাহায্য পেল, আর কেউ বিপদে পড়ে গেল। বৃষ্টিকে মুসলিমদের জন্য সহায়ক করে দিয়ে এর মাধ্যমে আল্লাহ তাদেরকে সাহায্য করলেন।

এর প্রায় তিন বছর পরের ঘটনা। সারা আরবের মুশরিকরা প্রায় দশ হাজার সৈন্য নিয়ে সমন্বিতভাবে মদিনা আক্রমণ করতে এসেছে। এত বড় বাহিনীকে সামনাসামনি মোকাবেলা করার মতো সক্ষমতা মুসলিমদের ছিল না। সাহাবীরা মদিনাকে রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষাব্যুহ হিসেবে দীর্ঘ পরিখা খনন করেন, যেন শত্রুপক্ষ মদিনাতে ঢুকতে না পারে। এরই মধ্যে মদিনার এক ইহুদি গোত্র বনু কুরাইযা মুসলিমদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে বসে। একদিকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে শত্রুপক্ষের বিশাল সংখ্যক সৈন্য শহরের বাইরে সমবেত, অন্যদিকে শহরের অধিবাসীদের একটি অংশ গোপনে শত্রুদের সাথে হাত মিলিয়েছে। শক্ত ও রুক্ষ মাটির বুকে দীর্ঘ পরিখা খনন করে সাহাবীরা শারীরিকভাবে বিধ্বস্ত। চলছে খাবারের তীব্র সঙ্কট। মুসলিম বাহিনীর জেতার আশা নেই বললেই চলে। এমনই এক পরিস্থিতিতে শুরু হয় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। কনকনে ঠান্ডা বাতাসে জান বাঁচাতে শত্রুপক্ষ ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। মদিনা আক্রমণ না করে বিনা যুদ্ধেই তাদেরকে ফিরে যেতে হয়।

এখানে লক্ষণীয় যে, আল্লাহর রাস্তায় ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতা থাকাটাই তাঁর সাহায্য পাওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। আমাদের নিজেদের দিক থেকেও সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রচেষ্টা থাকা চাই। সাহাবীরা তাঁদের সাধ্যের সবটুকু ঢেলে দেওয়ার পরেই কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য এসেছিল। দেয়ালে চুড়ান্ত পর্যায়ে পিঠ ঠেকে যাওয়ার আগে পর্যন্ত সাহায্য আসেনি। আজ আমরা যে বিপদ দেখছি আগামীতে পরিস্থিতি তার চেয়েও খারাপ হতে পারে। পরবর্তীতে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে। কোনটি চুড়ান্ত পর্যায়ের বিপদ তা আমরা জানি না। আল্লাহ জানেন। পরিস্থিতি সেই পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছলে এবং তখন পর্যন্ত ঈমানের এই পরীক্ষায় আমরা টিকে থাকতে পারলে আল্লাহর সাহায্য অবশ্যই আসবে।

সূরা কাহফ-এর এই আয়াতদ্বয় থেকেও আমরা দেখতে পাই যে, শিরকে আকন্ঠ নিমজ্জিত একটি সমাজের কতিপয় যুবককে ঘরছাড়া হতে হয়েছিল শুধুমাত্র এই কারণে যে, তারা “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”-এর ওপর দৃঢ়ভাবে ঈমান এনেছিল। নিজেদের ঈমানকে বাঁচাতে তারা স্বজাতি ও স্বদেশের মায়া ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিল। তারা তাদের সাধ্যের সবটুকু ঢেলে দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় ত্যাগ স্বীকার করেছিল। আর ঠিক তখনই আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব ও অলৌকিক সব উপায়ে আল্লাহ তাদেরকে সাহায্য করলেন। দেয়ালে চুড়ান্ত পর্যায়ে পিঠ ঠেকে যাওয়ার আগে পর্যন্ত তারাও আল্লাহর সাহায্য পায়নি।

কেবলই সামষ্টিকভাবে নয়, আমাদের ব্যক্তিগত জীবনেও সময়ে সময়ে আমরা নানাবিধ পরীক্ষার মুখোমুখি হই। তখনও ত্যাগ স্বীকারের মানসিকতার পাশাপাশি সাধ্যের সবটুকু ঢেলে দিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারার মতো সাহস রাখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ ধরা যাক, আমাদের উপার্জনে সমস্যা আছে, যেটি কোনো মুসলিমের জন্য শোভনীয় নয়। অতএব, সেই পরিস্থিতিতে আমাদের উচিৎ হবে পেশা পরিবর্তনের জন্য সর্বাত্নক চেষ্টা করে যাওয়া। এতে করে সাময়িকভাবে আমাদের কষ্ট হতে পারে বটে, কিন্তু আখেরে আমাদের সম্পদে বরকত আসবে। কিন্তু, আমরা যদি বিকল্প কোনো কিছুর জন্য চেষ্টা না করে মনে করে বসে থাকি যে, আল্লাহ আমাদের সাহায্য করবেনই তবে আমরা আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো সাহায্য নাও পেতে পারি, কারণ আমরা চেষ্টা করিনি।

তবে, তাঁর কোনো কোনো বান্দাকে এই দুনিয়াতে সাফল্যের মুখ আল্লাহ নাও দেখাতে পারেন। এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই, কেননা পরকালীন জীবনের সফলতাই হলো প্রকৃত সফলতা। আমি একটি বীজ বপন করলাম, সেই বীজের অঙ্কুরোদগম হলো, মাটি ফুঁড়ে চারা বের হলো, চারাটি বড় হলো, ডালপালা বিস্তৃত হলো, ফুল ফুটল, ফল ধরল, সেই ফল আমি খেলাম, গাছের ছায়া থেকে আমি উপকৃত হলাম – এগুলো হলো দুনিয়ার এই জীবনের সফলতা। অন্যদিকে, ঈমানের পরীক্ষায় আমি দৃঢ়পদ থাকতে পারলাম, ভীত হলেও হতোদ্যম হলাম না, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে পারলাম – এগুলো হলো ব্যক্তি আমির প্রতি আল্লাহর সাহায্য, কেননা আল্লাহ সহজ করে না দিলে এই পরীক্ষায় আমি আমার একক প্রচেষ্টায় টিকে থাকতে পারতাম না। ব্যক্তি আমিকে আল্লাহ সাহায্য করলে দুনিয়ার জীবনে আমি সাফল্যের মুখ দেখতে পারি বা না পারি, আল্লাহর ইচ্ছায় পরকালীন জীবনের প্রকৃত সফলতা তো ‘আমারই’ পদচুম্বন করবে।

যে তাঁকে পেতে চায় আল্লাহ তার জন্য তা সহজ করে দেন। যে হিদায়াত লাভের যোগ্য সে হিদায়াত পাবেই। পক্ষান্তরে, কেউ দম্ভভরে তাঁর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে সেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সমাজের মানুষের বিষয়ে আমরা জিজ্ঞাসিত হব না। অমুক ব্যক্তি তমুক কথা কেন বলছেন, ওই লোকটি সেই কাজটি কেন করলেন – এসব নিয়ে পড়ে থাকা কোনো বুঝদার ঈমানদারের কাজ নয়। একজন মুসলিম কেবলই প্রতিক্রিয়াশীল হতে পারে না, কেননা প্রতিক্রিয়াশীল মানসিকতাসম্পন্ন ব্যক্তিরা সহজেই লক্ষ্যচ্যুত হয়ে পড়ে। আমরা আল্লাহর ওপর যেভাবে ঈমান আনা উচিৎ সেভাবে ঈমান আনব, এরপর সেই ঈমানের দাবী অনুযায়ী যা করা দরকার তা করব। প্রয়োজনে কঠিন ত্যাগ স্বীকার করতেও কুন্ঠিত হব না। কিন্তু, কোনোভাবেই লক্ষ্যচ্যুত হব না।

সর্বশেষ সম্পাদনা: ২৪শে আগস্ট, ২০১৬ 

 

Advertisements

11 thoughts on “সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ১৭-১৮): আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার পূর্বশর্ত

  1. পিংব্যাকঃ সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ১৯-২০): সাবধানী হতে হবে | আমার স্পন্দন

  2. পিংব্যাকঃ সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ২১): নিরাশ হওয়া যাবে না | আমার স্পন্দন

  3. পিংব্যাকঃ সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ২২): সঠিক জ্ঞান আহরণ করতে শিখতে হবে | আমার স্পন্দন

  4. পিংব্যাকঃ সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ২৩-২৪): আল্লাহ না চাইলে আমাদের চাওয়ায় কিছু হয় না | আমার স্পন্দন

  5. পিংব্যাকঃ সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ২৫-২৬): সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করে যেতে হবে | আমার স্পন্দন

  6. পিংব্যাকঃ সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ২৭): কুরআনকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা যাবে না | আমার স্পন্দন

  7. পিংব্যাকঃ সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ২৮): সৎ সঙ্গী বেঁছে নিতে হবে | আমার স্পন্দন

  8. পিংব্যাকঃ সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ২৯-৩১): ইসলাম গ্রহণ করতে কাউকে বাধ্য করা যাবে না | আমার স্পন্দন

  9. পিংব্যাকঃ সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ৩২-৩৬): প্রাচুর্যের পরীক্ষা | আমার স্পন্দন

  10. পিংব্যাকঃ সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ৩৭-৪১): সম্পদ, সামাজিক মর্যাদা ও ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় | আমার স্পন্দন

  11. পিংব্যাকঃ সূরা কাহফ-এর ছায়াতলে (আয়াত ৪২-৪৪): জীবনে হঠাত নেমে আসা বিপদ যখন বিপথে যাওয়া থেকে আমাদেরকে বাঁচায়

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s