পিছনে পড়ে যাওয়া থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা- ২য় কিস্তি: “কা’ব এটা কী করল?” (অনুবাদ)

এই ধারাবাহিক আলোচনার প্রথম কিস্তিটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

Camel Caravan

ক্লান্তিকর লম্বা সফর শেষে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর বিশাল বাহিনী নিয়ে তাবুক পৌঁছেছেন। বাহিনী শত্রুর  মুখোমুখি হবার জন্যে তৈরি। তাদের নেতা (যিনি একই সাথে একজন রাষ্ট্রনায়ক) কিন্তু ঠিকই মনে রেখেছেন তাঁর এক প্রিয় সঙ্গীর কথা,  যিনি  তাঁদের সাথে  আসেননি।

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাবুকে পৌঁছার আগে পর্যন্ত আমার কথা জিজ্ঞেস করলেন না, তবে তাবুক পৌঁছে যখন তিনি সবাইকে নিয়ে বসলেন, তখন জিজ্ঞেস করলেন, ‘কা‘ব এটা কী করল’? বনী সালামার একজন বললেন, ‘হে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! তার বেশ ভূষা ও অহংকারই তাকে আটকে দিয়েছে’| মু‘আয বিন জাবাল (রা.) বললেন, ‘তুমি বাজে কথা বলছ। আল্লাহ্‌র কসম! হে আল্লাহ্‌র রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আমরা তার ব্যাপারে ভাল বৈ খারাপ কিছু জানি না’| রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চুপ করে থাকলেন।”

নেতা যদি তাঁর কর্মীদের ভালোভাবে জানেন, তাহলে তিনি তাঁদের মধ্যে যারা  তুলনামূলক ভালো ও তৎপর তাদেরকে যেমন চিনবেন, তেমনি তাদের অনুপস্থিতিও তিনি অনুভব করবেন। অন্য আরো অনেকেইতো পিছনে পড়ে ছিল, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তো তাঁদের খোঁজ নিলেন না! তিনি নির্দিষ্ট করে খবর নিলেন কা’ব-এর! যুদ্ধ শুরুর উত্তেজনাময় মুহূর্তেও কা’ব কে নিয়ে রাসুলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই উদ্বেগ  কা’ব এর উচ্চ মর্যাদারই প্রমাণ।

আমরা সবাই জানি যে জীবনের সব ক্ষেত্রেই রাসুলুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হলেন অনুকরণীয় আদর্শ। নেতৃত্বও এর ব্যতিক্রম নয়। তিনি নিয়মিতই তাঁর অনুসারীদের, সাহাবীদের স্মরণ করতেন, খোঁজ-খবর নিতেন, অনুপস্থিতিতে তাদের ব্যাপারে জানতে চাইতেন। তিনি সবসময়ই তাদের দুনিয়া- আখেরাতের কল্যাণ নিশ্চিত করতে চাইতেন। এই ঘটনাই দেখুন না! একজন রাষ্ট্রনায়ক, যিনি কিনা নিজ দেশ থেকে বহু দূরে, শত্রুর সাথে  যুদ্ধ করছেন। কিন্তু তিনি স্নেহভরে মনে করছেন তাঁর এক প্রিয়  সঙ্গীকে যিনি দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগে তাঁর সাথে যুদ্ধে আসা থেকে নিজেকে বঞ্চিত করেছেন। তাঁর থেকে বড় মানবতাবাদী আর কে ছিল কোথায় কবে!

একই ধরনের ঘটনা ঘটেছে আরেক সাহাবী সাবিত ইবন কায়স (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-র বেলায়ও। সূরা হুজুরাত-এর দ্বিতীয় আয়াত নাযিলের পরে সাবিত (রাদিয়াল্লাহু আনহু) ধরেই নিয়েছিলেন যে তার উচ্চ কণ্ঠের কারণে তার সব আমল বাতিল হয়ে গেছে। একইসাথে তিনি রাসুলুল্লাহকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এড়িয়ে চলা শুরু করলেন। সাবিত-এর অনুপস্থিতি কিন্তু নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নজর এড়ায়নি। তিনি তার কাছে লোক পাঠালেন জান্নাতের সুসংবাদ দিয়ে!

সমাজের মুরব্বী, শিক্ষাবিদ বা ধর্মীয় নেতারা নিয়মিত খোঁজখবর নেয়ার মাধ্যমে আশেপাশের মানুষের উপর সহজেই ইতিবাচক প্রভাব রাখতে পারেন। নিয়মিত খোঁজ খবর, ছোট ছোট ভালো কথা, সদুপদেশ, শুভ কামনা মানুষের উপর বিস্তর প্রভাব ফেলে; দা’ওয়ার কাজ সহজ হয়।

সাহাবীরা কা’ব এর ব্যাপারে যেসব মন্তব্য করেছেন, তা থেকেও অনেক শিক্ষা পাওয়া যায়। আর তাদের কথার উত্তরে রাসুলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর নীরবতায়ও রয়েছে প্রচুর শিক্ষা।

প্রথম সাহাবী আর কা’ব (রাদিয়াল্লাহু আনহুম) এর মধ্যে কোন শত্রুতা ছিলো না যে তিনি এখন সুযোগ বুঝে কা’ব-এর উপর এক হাত নিচ্ছেন! সুযোগের সদ্ব্যবহারের জন্য তিনি এই মন্তব্য করেননি; কোন আকাঙ্ক্ষা বা অহংকার থেকেও না। একটাই কারণঃ ইসলামের জন্য তার ভালোবাসা, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কথাকে উচ্চকিত করার প্রেরণা, মুসলিম উম্মাহকে সত্যের উপর পরিচালিত করার ইচ্ছা। আপাত যে ঈর্ষা তার মধ্যে কাজ করেছে এই ব্যাপারে, তা নিন্দনীয় নয়তো বটেই, বরং প্রশংসার যোগ্য। পারিভাষিকভাবে একে ‘গায়রা’ (প্রশংসনীয় রক্ষণশীল ঈর্ষা) বলা হয়।

আমাদের ধর্মীয় স্কলাররা আবহমান কাল ধরে এই কাজটি করে আসছেন। তারা তাদের কোন সহকর্মীর ভুলের ব্যাপারে চুপ করে না থেকে সরব হয়েছেন, যুক্তি প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন, সহকর্মীর কার্যপদ্ধতির ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন। এসব ক্ষেত্রে সত্যনিষ্ঠ হলেন তিনি,যিনি ব্যক্তিগত কোন লাভ-ক্ষতির আশায় নয় বরং উম্মাহর বৃহত্তর কল্যাণের স্বার্থে আন্তরিক উপদেশ দেন।

স্কলারদের ন্যায়সঙ্গত মতভেদের ব্যাপারে আমাদের সাধারণ মানুষের কথা বলার কোন অধিকার নেই। আমাদের যোগ্যতা নেই (রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর উত্তরসূরিদের ব্যাপারে কথা বলার, তাদের নিয়ত নিয়ে প্রশ্ন তোলার, তাদের নামে হীন ব্যক্তি বা দলীয় স্বার্থের কারণে মিথ্যা রটানোর।  এসব করে  খুব সহজেই দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায় ঠিকই, কিন্তু  ধর্মের কোন উপকার হয় না, অপকার ছাড়া।

মুয়ায ইবন জাবাল (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-র জবাবে ছিল ভাইয়ের অবর্তমানে ভাইকে অকপট সমর্থন দান; কারণ তার সম্বন্ধে তিনি ভালো ছাড়া খারাপ কিছু জানতেন না। আমাদের স্কলারদের, দায়ী’দের যখন চারদিক থেকে আক্রমণ করা হয়, তখন আমাদেরও কর্তব্য হবে তাদের সমর্থন করা, যদি তাদের অতীত রেকর্ডে কোন কালিমা না থাকে। সত্য মিথ্যা যাচাই না করে গুজব ছড়ানো থেকে আমাদের বিরত থাকতে হবে। বর্তমান যুগে যখন যেকোন কথা (সত্য মিথ্যা যাই হোক) বিদ্যুৎ বেগে লাখো লোকের কাছে পৌঁছে যায়, সেরকম সময়ে কোন কথা বলার আগে অবশ্যই ভালো করে যাচাই করে নিতে হবে।

উভয়ের বক্তব্য শুনেই রাসুলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) নীরবতা এটাই প্রমাণ করে যে তিনি দুজনের কাউকেই খারাপ ভাবে দেখেননি এবং দুজনই আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বার্থে কথা বলেছেন। তাদের কারো কথা যদি ভুল হতো, তাহলে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) অবশ্যই চুপ থাকতেন না।

এদিকে মদীনায় কা’ব-এর তখন বড়ই খারাপ সময় যাচ্ছে! গভীর দুশ্চিন্তা তাঁকে পেয়ে বসেছে ! তার প্রিয় রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে ফিরে আসছেন! কিভাবে মুখ দেখাবেন কা’ব তাকে? বলবেনই বা কী?

“কা‘ব বলছেন, ‘যখন খবর  পেলাম যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাবূক থেকে ফিরছেন, তখন  প্রবল দুশ্চিন্তায়  আমি মিথ্যা অজুহাত দেবার কথা চিন্তা করতে লাগলাম এবং মনে মনে বলতে লাগলাম,কাল যখন রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফিরবেন, সে সময় আমি তাঁর রাগ থেকে বাঁচব কীভাবে? এ ব্যাপারে আমি আমার পরিবারের প্রত্যেক বিজ্ঞজনের উপদেশ চাইতে লাগলাম। কিন্তু যখন বলা হল, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদম কাছাকাছি চলে এসেছেন, তখন আমার মন থেকে  বানোয়াট অজুহাত দূর হয়ে গেল। আমি বুঝতে পারলাম যে, মিথ্যা বলে কখনোই বাঁচতে পারব না। সুতরাং আমি সত্য বলার জন্যে তৈরি হলাম। এদিকে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সকালে (মদীনায়) ফিরলেন। তাঁর অভ্যাস ছিল সফর থেকে ফিরে প্রথমেই মসজিদে দু’ রাকআত নামায পড়তেন। তারপর লোকেদের সাথে বসতেন। এই সফর থেকে ফিরেও তাই করলেন। এরপর তাঁর কাছে মুনাফিকরা এসে তাদের না যাবার বাহানা পেশ করতে লাগলো এবং কসম খেতে আরম্ভ করল। এরা সংখ্যায় আশি জনের কিছু বেশী ছিল। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের বাহ্যিক ওজর গ্রহণ করে নিলেন, তাদের বায়’আত নিলেন, তাদের জন্য (আল্লাহর কাছে) ক্ষমা প্রার্থনা করলেন এবং তাদের মনের অবস্থা আল্লাহর উপর ছেড়ে দিলেন।

হাদীসের এই অংশটি কা’ব (রাদিয়াল্লাহু আনহু)-এর ঈমান এর উচ্চ স্তরের সাক্ষী; তার বিশ্বাসের আলোয় উদ্ভাসিত। তার বিশ্বাস তাকে বলে দিচ্ছিল যে তিনি যদি একটা মিথ্যা বলে রাসুলুল্লাহকে (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফাঁকি দিয়েও দেন, কোনভাবেই সর্বজ্ঞানী, সর্বদ্রষ্টা আল্লাহর দৃষ্টিকে ফাঁকি দিতে পারবেন না; শাস্তিও এড়াতে পারবেন না। রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার মিথ্যা অজুহাত বিশ্বাস করলেও করতে পারেন, কিন্তু আল্লাহতো নিশ্চয়ই ক্রোধান্বিত হবেন। এমনওতো হতে পারে যে ওহীর মাধ্যমে আল্লাহ কা’ব-এর মিথ্যা ফাঁস করে দিলেন! তখন কেমন হবে! কিয়ামত পর্যন্ত যতদিন কুরআন পাঠ হবে, ততদিন সবাই যে তাকে মিথ্যাবাদী বলবে! তিনি তো সেই মহিলার কথা জানেনই যিনি রাসুলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কাছে নালিশ দিয়েছিলেন আর আল্লাহ সেটার উপর কুরআনের আয়াত নাযিল করেছিলেন! (সূরা মুজাদিলাহঃ ১)

আমাদের বিশ্বাস যদি এমন দৃঢ় হয়, আমাদের চেতনায় আল্লাহর ভয় যদি সবসময় এমন জাগ্রত থাকে, তাহলে আমরাও একসময় পারব আল্লাহর নাফরমানীর পথ ত্যাগ করতে; অবস্থা যত  শোচনীয়ই হোক না কেন, আমরা পারব ইনশাআল্লাহ্‌। প্রয়োজন শুধু আল্লাহমুখী দৃঢ়তা।

মিথ্যা জেনেও রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) মুনাফিকদের মনগড়া অজুহাত গ্রহণের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষা দিলেন যে মানুষকে শুধু তার বাহ্যিক অবস্থার উপর বিচার করতে। কারো মনে কী আছে, তার বিচারক কেবল আল্লাহ তা’লা। পৃথিবীর বিচারের এইই নিয়ম। আর আখেরাতের বিচারে কে চূড়ান্ত সফল বা বিফল হবে তা নির্ভর করে অন্তরের অবস্থার উপর।

আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করায় মুনাফিকরা ভেবেছিল যে তারা আল্লাহ্‌র ক্ষমা পেয়ে গেছে। কিন্তু তাদের এই ধারণা ভ্রান্ত ঘোষণা করে কুরআনে আল্লাহ বলেনঃ

Image

তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর আর না কর। যদি তুমি তাদের জন্য সত্তর বারও ক্ষমাপ্রার্থনা কর, তবুও কখনোই তাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না।  সেটা এজন্য যে, তারা আল্লাহকে এবং তাঁর রাসূলকে অস্বীকার করেছে। বস্তুতঃ আল্লাহ না-ফারমানদেরকে পথ দেখান না। (সূরা আত তাওবাঃ ৮০)

আপাতদৃষ্টিতে মুনাফিকরা কিন্তু মিথ্যা বলে বেঁচে গেলো! কিন্তু কা’ব (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এখন কি করবেন? তিনি কি মুনাফিকদের  মতো ‘সহজ’ পথ ধরবেন? নাকি রাসুলুল্লাহর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সামনে তিনি সত্য আঁকড়ে থাকবেন?

যখন আমরা প্রতিটি কথায়- কাজে অনুসরণ করি, সম্মান করি, ভালোবাসি, এমন কোন ব্যক্তির সাথে কথা বলি, তখন আমরা কি করি? তাঁকে খুশি রাখতে গিয়ে আমরা কি মিথ্যা বলি? আমরা কি তখন ভুলে যাই আল্লাহ সব দেখেন ও শুনেন? নাকি তখনও আল্লাহর ভালবাসা আমাদেরকে শুধু আল্লাহকে খুশি করতে অনুপ্রেরনা দেয়? এতে করে ভালোবাসার মানুষ খুশি হোন আর বেজারই হোন?

রাসুলের প্রিয় বিশ্বস্ত এই সাথীর উত্তর শুনুনঃ “সুতরাং আমি সত্য বলার দৃঢ় শপথ নিলাম”

পরবর্তী কিস্তি পর্যন্ত নিজের উত্তর কী হবে তা নিয়ে ভাবতে থাকুন, প্রিয় পাঠক!

মূল লেখা এখানে: http://muslimmatters.org/2010/05/14/lessons-in-staying-behind-%E2%80%93-part-2-%E2%80%98what-did-ka%E2%80%99b-do%E2%80%99/

Advertisements

4 thoughts on “পিছনে পড়ে যাওয়া থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা- ২য় কিস্তি: “কা’ব এটা কী করল?” (অনুবাদ)

  1. পিংব্যাকঃ পিছনে পড়ে যাওয়া থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা- ৩য় কিস্তিঃ পৃথিবী যখন অচেনা! (অনুবাদ) | আমার স্পন্দন

  2. পিংব্যাকঃ পিছনে পড়ে যাওয়া থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা- ৪র্থ কিস্তিঃ নিঃশর্ত আনুগত্য (অনুবাদ) | আমার স্পন্দন

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s