ইতিহাস সংরক্ষণের বিজ্ঞান এবং অপরিবর্তিত কুর’আন – দ্বিতীয় খন্ড (অনুবাদ)

প্রথম খন্ড

নবীর () মৃত্যুর পর কুরআনের সংকলন

পূর্ববর্তী আলোচনায় আমরা জেনেছি যে কিভাবে কুরআন নবীর (ﷺ) অগুনতি সাথীগণ এবং সেই সময়ের মক্কা, মদীনা এবং আরবের অন্যান্য গোত্রের মানুষজনকে শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যার ফলে কুরআনের বাণীর ওপর গুটিকয়েক মানুষ কিংবা হাতে গোনা কয়েকটি গোষ্ঠীর একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণকে অসম্ভব করে দিয়েছিল। দিশেহারা মানবজাতির পথপ্রদর্শক কুরআন পুরো পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের জন্য স্রষ্টার কাছ থেকে আসা সবচেয়ে বড় উপহারগুলোর একটি। কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠীর এর ওপর বিশেষ অধিকার থাকা তাই অযৌক্তিক; সঙ্গত কারণেই আল্লাহ সেরকম কিছু হবার পথ বন্ধও করে দিয়েছেন। ইসলামিক বিশ্বে কুরআন এমনভাবে ছড়িয়ে পড়েছিলো যে, কোনো একটি এলাকায় যদি কেউ কুরআনের কোনো ধরণের পরিবর্তন করে, তাহলে সেটি নিয়ে অন্য কোনো মুসলিমের সামনে দাঁড়ানো এবং সেই পরিবর্তিত কুরআনের বাণী পড়ে শুনিয়ে পার পেয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ অসম্ভব হয়ে গিয়েছিল। যার অর্থ দাঁড়ায়, আপনি যদি ভুল করেও একটা বর্ণ পরিবর্তন করেন, তাহলে আপনার সেই ভুল অন্য কারো হাতে অচিরেই ধরা পড়ার সম্ভাবনা ছিলো শতকরা একশ’ ভাগ। এটা কুরআনের জন্য আজ এই একবিংশ শতাব্দীতেও যেমন সত্যি, ঠিক তেমনিই এটা সত্যি ছিলো আজ থেকে ১৪০০ বছর আগেও। মহারথী ইতিহাসবিদরা কুরআনের এহেন সংরক্ষণ পদ্ধতি দেখে যেমন যুগে যুগে চমত্‍কৃত হয়েছেন, তেমনি তাঁরা কুরআনের অপরিবর্তিত থাকার ব্যাপারটিও পুরোপুরিভাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তদুপরি, নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর বেঁচে থাকা অবস্থায় প্রতি বছরেই রামাদান মাসে ফেরেশতা জিবরাইল নবীর (ﷺ) সাথে থেকে তখন পর্যন্ত প্রেরিত পুরো কুরআনের বাণীগুলো একবার পড়তেন। যখন নবীর (ﷺ) জীবনের শেষ দিকে এসে আল্লাহর কাছ থেকে কুরআন প্রেরণ করা সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিলো, তিনি (ﷺ) তারপর থেকে তাঁর (ﷺ) অসংখ্য সাথীদের দ্বারা সম্পূর্ণ কুরআন নির্ভুলভাবে তাদের নিজ নিজ স্মৃতিতে সংরক্ষণ করা নিশ্চিত করেছিলেন।

ইসলামের প্রথমদিকের খলিফাদের শাসনামলে তাঁরা কুরআনের সব আয়াতগুলোকে ক্রমানুসারে সাজিয়ে একটি কেন্দ্রীয় বইতে সংকলিত করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন এবং স্বভাবতই দ্রুত সেটি সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেন। নবী মুহাম্মাদের (ﷺ) মৃত্যুর পর যাঁরা ইসলামী খিলাফতের ভার কাঁধে নিয়েছিলেন তাঁরা চিন্তিত হয়ে পড়েছিলেন যখন বয়সজনিত কারণে কিংবা যুদ্ধে মারা যাবার কারণে সরাসরি নবীর (ﷺ) কাছ থেকে শুনে কুরআন স্মৃতিতে ধারণ করে রাখা নবীর (ﷺ) এমন সাথীদের (first generation memorizers of Quran) সংখ্যা আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছে। যার ফলশ্রুতিতে ইসলামের প্রথম খলিফা আবু বকর (শাসনকাল ৬৩২ – ৬৩৪ খ্রিস্টাব্দ) যায়েদ ইবনে সাবিত-এর নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দিলেন। সমগ্র মুসলিম বিশ্ব জুড়ে কুরআনের বাণীর যতগুলো লিখিত লিপি ছিলো তার সবগুলো যোগাড় করাই ছিলো এই কমিটির কাজ। মূল উদ্দেশ্য ছিলো পুরো কুরআন একটি বই আকারে কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণ করা, যাতে করে কুরআন স্মৃতিতে ধারণ করে রাখা সবাই মারা গেলেও কুরআনের সেই অপরিবর্তিত কপিটি যেন সংরক্ষিত থাকে।

যায়েদ এই কাজের ভার পেয়ে সেটি নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করার ব্যাপারে ছিলেন বদ্ধপরিকর। কারণ কুরআনের একটি কেন্দ্রীয় সংকলনের সঠিকতা অনেকটাই নির্ভর করবে তাঁর এই কাজের ওপর। আর তাই তিনি শুধুমাত্র সেসব লিখিত আয়াতের কপিই গ্রহণযোগ্য বলে গণ্য করেছিলেন যেগুলো নিম্নলিখিত শর্তগুলোর সবকটি শতভাগ পূরণ করে:

প্রথম শর্ত: লিখিত আয়াতের কপিটি নবী মুহাম্মাদের (ﷺ) সামনে লেখা হয়েছিল তা নিশ্চিত করতে হবে।

দ্বিতীয় শর্ত: নবীর (ﷺ) সাথে লিপিবদ্ধকরণের সময়ে উপস্থিত থাকা ন্যূনতম দু’জন সাথীকে প্রথম শর্তটির যথার্থতা নিশ্চিত করতে হবে।

তৃতীয় শর্ত: প্রথম এবং দ্বিতীয় শর্ত পূরণ করে আসা বাছাইকৃত সেসব লিখিত লিপির আয়াতগুলো প্রথম প্রজন্মের কুর’আন মুখস্তকারীদের (first generation memorizers of Qur’an) মাধ্যমে যাচাই করে দেখা হবে লিখিত লিপির সাথে তাদের স্মৃতিতে সংরক্ষিত কুর’আনের কোনো ধরনের পার্থক্য আছে কি না।

Early Qur'anic Manuscriptযায়েদের ওপর অর্পিত এই কাজ যখন সফলভাবে শেষ হলো তখন সম্পূর্ণ কুর’আনের সেই বইটি খলিফা আবু বকরের কাছে জমা দেয়া হলো। তিনি সেটিকে মদীনার নবীন মুসলিম সংগ্রহশালায় সংরক্ষণ করে রাখলেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে কুর’আনের এই সংকলনটির সাথে মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর মুখ থেকে উচ্চারিত কুর’আনের বাণীর কোনো ধরণের পার্থক্য নেই, কেননা তখন মদীনায় অসংখ্য কুর’আন মুখস্ত করে রাখা মুসলিম ছিলেন এবং কোনো ধরণের ভুল হয়ে থাকলে তাঁরা সেটি নিমেষেই ধরতে পারতেন। তাছাড়া আছে যায়েদের নতুন চালের খুদ খোজার মতো করে লিখিত লিপিগুলো বাছাই করা এবং সেগুলোর সাথে প্রথম প্রজন্মের কুর’আন মুখস্তকারীদের স্মৃতিতে সংরক্ষিত কুর’আনের বাণী মিলিয়ে দেখা। কুর’আনের সেই সংকলনের জন্য ইতিহাস সংরক্ষণের এই নিখাদ বিজ্ঞান ব্যবহার করা হয়েছে বলেই কুর’আনের অপরিবর্তিত থাকার সত্যতা শুধু মাত্র মুসলিমরা নয়, অমুসলিম এবং নাস্তিক ইতিহাসবিদরাও মেনে নিয়েছেন যুগে যুগে।

উসমানএর মুসহাফ

তৃতীয় খলিফা উসমানের শাসনামলে (৬৪৪ – ৬৫৬ খ্রিস্টাব্দ) মুসলিম বিশ্বে কুর’আন সংক্রান্ত একটি নতুন ব্যাপার দেখা দেয়; আর সেটি হলো কুর’আনের উচ্চারণ। নবী মুহাম্মাদ (ﷺ)-এর সময়ে যখন কুর’আন নাযিল হচ্ছিল তখন সেটি ক্লাসিকাল আরবীর সাতটি ভিন্ন ভিন্ন স্থানীয় উচ্চারণে নাযিল করা হয়েছিল। লিখিত অবস্থায় কুর’আনের ক্লাসিকাল আরবী ভাষায় কোনো প্রকারভেদ নেই, কখনোই ছিলো না। এই ভিন্ন ভিন্ন স্থানীয় উচ্চারণগুলো শুধুমাত্র গোত্র এবং এলাকাভেদে মানুষের উচ্চারণে যে পার্থক্য হয়ে থাকে সেটি মাত্র – এই ভিন্ন উচ্চারণের কারণে কুর’আনের একটি আয়াতের একাধিক অর্থ ছিলো না। কুর’আনের লিখিত সংস্করণ একটিই। আর তাই এর অর্থও একটি – স্থানীয় উচ্চারণ ভিন্ন ছিলো মাত্র। আর কুর’আন এভাবে প্রেরিত হওয়ার মূল কারণ ছিলো আরবের সব এলাকার সব গোষ্ঠী যেন ঠিকভাবে কুর’আনের বাণী শুনে বুঝতে পারে। কুর’আনের এই সাতটি ভিন্ন উচ্চারণ পরবর্তীতে হয়ে থাকা কোনো নতুন আবিষ্কার নয়, কারণ নবীর (ﷺ) নিজের মুখ থেকেই এই সাতটি ভিন্ন উচ্চারণ প্রচারিত হয়েছিল – আর এর সত্যতা অনেক অনেক সর্বজনস্বীকৃত হাদীস থেকে প্রমানিত যা বুখারী এবং মুসলিমেও সংরক্ষিত হয়েছে।

উসমানের শাসনামলে মুসলিম বিশ্বের দ্রুত প্রসারে নতুন নতুন যুক্ত হওয়া দেশগুলোর, যেমন পারস্য, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া এবং উত্তর আফ্রিকা ইত্যাদি দেশের অধিবাসীরা যখন ইসলাম গ্রহণ করছিল, তখন স্বভাবতই তারাও কুর’আন শেখা এবং পড়া শুরু করেছিল। যেহেতু আরবী তাদের ভাষা ছিলো না এবং তারা দেখছিল যে ভিন্ন এলাকার আরব শিক্ষকেরা ভিন্ন ভিন্ন উচ্চারণে কুর’আনের একই আয়াত পড়ছেন, তখন তাদের জন্য এটি একটি সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়। যদিও এই ভিন্ন উচ্চারণ নবীর (ﷺ) কাছ থেকেই আসা এবং ভিন্নভাবে উচ্চারণে কোনো দোষ ছিলো না অবশ্যই, এতে কোনো সন্দেহ ছিলো না যে নতুন আরবী শিখতে শুরু করা নতুন মুসলিমদের জন্য এটি ছিলো বেশ ঝামেলার একটি ব্যাপার।

উসমান এই সমস্যার সমাধানে যুগোপযোগী একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি নবীর (ﷺ) নিজ গোত্র কুরাইশের ব্যবহৃত উচ্চারণকে স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে গ্রহণ করে সেই অনুযায়ী কুরআনের শিক্ষকদের নির্দেশ দিলেন মুসলিম বিশ্বের সবখানে এবং সকল প্রান্তে কুরআন পড়ার এবং শিখানোর ক্ষেত্রে শুধুমাত্র এই একটি উচ্চারণই যেন ব্যবহার করা হয়। উসমানের গঠন করা কুরআন সংকলনের দলটি – যেটিতে আবারো ছিলেন যায়েদ ইবনে সাবিত – কুরআনের একটি বই আকারের সংকলন করলেন, যা মুসহাফ নামে পরিচিত। মুসহাফ শব্দটির উত্‍পত্তি সহিফা শব্দ থেকে, যার অর্থ পৃষ্ঠা। উসমানের এই মুসহাফ সংকলিত হয়েছিল যায়েদের বাছাইকৃত সেইসব প্রথম প্রজন্মের সত্যায়ীত লিখিত লিপিগুলো এবং মদীনার অগুনতি কুরআনের হাফিজদের স্মৃতির ওপর ভর করে। সবশেষে পুরো কুরআনের এই সংকলন দু’টোর মাঝে কোথাও কোনও ধরনের অমিল নেই তা নিশ্চিত করতে আবু বকরের সংকলিত কুরআনের কপিটির সাথে এই মুসহাফটি মিলিয়ে দেখা হয়। তারপর উসমান এই কুরআনের সংকলন (মুসহাফ)-এর অনেকগুলো কপি তৈরী করতে নির্দেশ দেন এবং সেগুলোকে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি প্রদেশে পাঠিয়ে দেন। তিনি শুধু কুরআনের কপি পাঠিয়েই নিশ্চিন্ত থাকেননি, বরং প্রতিটি কপির সাথে একজন করে কুরআন তিলাওয়াতকারী (পাঠকারী) পাঠিয়ে দিয়েছিলেন যাতে তারা সেই এলাকায় সবাইকে কুরআন শিক্ষা দিতে পারেন এবং উচ্চারণে কোনো ধরণের পার্থক্য না থাকে।

যেহেতু সেই সময় থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী কুরআনের মুসহাফ সংকলনটির কপি তৈরী করা হচ্ছিল, তাই বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন মানুষের সংরক্ষণে থাকা কুরআনের বিভিন্ন অংশের প্রথম প্রজন্মের লেখা সেই লিপিগুলোর কোনো প্রয়োজন আর ছিলো না। তাই উসমান সেসব লিপিগুলো একত্র করে ধ্বংস করে দেওয়ার নির্দেশ দিলেন যাতে পরবর্তীতে কেউ কখনো পুরনো কোনো লিপি ব্যবহার করে কিংবা কোনো লিপিকে কুরআনের পুরনো লিপি দাবী করে মুসলিম বিশ্বের মধ্যে কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা না করে। যদিও Orientalist-রা উসমানের এই সিদ্ধান্তটি ব্যবহার করে দাবী করে যে তখন উসমান নিশ্চয়ই কুরআনের বাণীর মধ্যে কোনো পার্থক্য পেয়েছিলেন, আর সেজন্যই সেটি সবসময়ের জন্য বিনষ্ট করে দিতে তিনি এই নির্দেশ দিয়েছিলেন। তবে বাস্তবতা হলো, মদীনার পুরো কুরআন বিশেষজ্ঞ সংঘ, যার অন্তর্ভুক্ত ছিলেন আলী ইবনে আবু তালিবের মত নবীর (ﷺ) অত্যন্ত কাছের অনেক সাথীরা, তাঁরা সকলেই তাঁদের নিজেদের ইচ্ছায় এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একমত ছিলেন এবং সাহায্য করেছিলেন। কোনো ধরণের বিরূপ মন্তব্য কারো কাছ থেকেই আসেনি। যদি উসমান আসলেই নির্ভুল কোনো দলিল কিংবা কুরআনের আয়াতের পার্থক্যের কোনো প্রমাণ ধ্বংস করতে চাইতেন তাহলে তখনকার মদীনাবাসীরা অবশ্যই এর বিরোধীতা করতেন এবং খুব স্বাভাবিকভাবেই তারা সবাই মিলে উসমানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহও ঘোষণা করতে পারতেন। তার কোনো কিছুই বাস্তবে হয়নি। বরঞ্চ উসমানের মুসহাফকে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের সবাই সমানভাবে সঠিক এবং নির্ভুল বলে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন।

০০০

এই ধারাবাহিকের আগামী খন্ডের আলোচ্য বিষয়: (১) কুর’আনের পাণ্ডুলিপি সম্পর্কে Orientalist–দের কিছু আপত্তি এবং তার জবাব, (২) কুর’আনের সংরক্ষণে ইসনাদ ব্যবস্থার গুরুত্ব এবং (৩) গোটা ধারাবাহিকের উপসংহার।

০০০

গ্রন্থপঞ্জি:

১. Al-Azami, M.M. The History of the Quranic Text: From Revelation to Compilation. Leicester: UK Islamic Academy, 2003. Print.

২. Ochsenwald, William, and Sydney Fisher. The Middle East: A History. 6th. New York: McGraw-Hill, 2003. Print.

মূল আর্টিকেল: How Do We Know the Quran is Unchanged?

অনুবাদটি প্রথম প্রকাশিত হয় এখানে: Power Pens by Lifestyle is Islam

Advertisements

3 thoughts on “ইতিহাস সংরক্ষণের বিজ্ঞান এবং অপরিবর্তিত কুর’আন – দ্বিতীয় খন্ড (অনুবাদ)

  1. পিংব্যাকঃ ইতিহাস সংরক্ষণের বিজ্ঞান এবং অপরিবর্তিত কুর’আন – তৃতীয় খন্ড (অনুবাদ) | আমার স্পন্দন

  2. পিংব্যাকঃ একজন মুসলিম ও একজন সংশয়বাদীর মধ্যে ইসলামের সত্যতা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা | আমার স্পন্দন

  3. পিংব্যাকঃ যেসব কারণে কুরআন মানুষের সৃষ্টি হতে পারে না | আমার স্পন্দন

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s