শিশুর অটিজম: বুঝুন, মেনে নিন এবং ভালোবাসুন

autism

রোগটির নাম অটিজম। এটি কোনো মানসিক রোগ নয়, বরং নিউরো-বায়োলজিক্যাল ডিজঅর্ডার যা আচরণগত সমস্যা হিসেবে দেখা দেয়। এটা কিছু সমষ্টিগত সমস্যার সম্মিলিত প্রকাশ [Autism spectrum disorder (ASD)]। জন্ম থেকেই এই শিশুরা অটিজমে আক্রান্ত থাকে, তবে লক্ষণগুলো সাধারণত আড়াই থেকে তিন বছর বয়সের মধ্যেই প্রকাশ পায়। এই রোগে শিশুর দৈহিক বিকাশ সাধারণত স্বাভাবিক থাকে, কিন্তু  সামাজিক ও বাচনিক বৃদ্ধি অবিকশিত থাকে। বিস্তারিত পড়ুন

শিশুকে সদাচার ও শিষ্টাচার শেখানো

door-entrance

কিছুদিন আগে একটি পরিবারের সাথে পরিচিত হলাম, যেখানে স্বামী-স্ত্রী দুজনই আগে ক্যাথলিক ছিল কিন্তু বর্তমানে মুসলিম। তাদের তিনটি সন্তানকে তারা এত সুন্দর শিষ্টাচার শিক্ষা দিয়েছে যে, আমি দেখে অভিভূত হয়ে গেলাম। কথায় কথায় একটা ইন্টারেস্টিং জিনিস শিখলাম। বিস্তারিত পড়ুন

শিশু আক্রমণাত্মক আচরণ করলে যেভাবে তাকে সামলাতে হবে

Kid playing

কোনো কোনো শিশু প্রায়ই হঠাৎ করে রেগে যায়। রেগে গিয়ে সবাইকে মারতে থাকে। আবার কেউ কেউ কামড়ও দেয়। শিশুর আক্রমণাত্মক এই আচরণ তার স্বাভাবিক বৃদ্ধির একটা অংশ। সাধারণত কথার মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করতে অপারগ হলে অথবা রেগে গেলে সাধারণত শিশুরা এই কাজগুলো করে থাকে। দুই-তিন বছরের শিশু যাদের এখনও ভাষা শিখতে বাকী, তাদের ভেতর এই মারামারি বা কামড়ানোর একটা প্রবণতা দেখা যায়। তাকে বহুবার নিষেধ করার পরও এটা সে করে। একটা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত আঘাত করা ও কামড়ানো শিশুদের জন্য স্বাভাবিক।

শিশু এমন আচরণ করলে যা করতে হবে:

অনেক সময় নিজেকে প্রকাশ করতে না পারলেই শিশুরা রেগে যায়। অনেক সময় বড়রা ছোট বাচ্চাদের রাগিয়ে ‘মজা’ পায়। আবার কখনো পিঠাপিঠি ভাইবোন থাকলে বড়টা ছোটজনকে বিরক্ত করে। অনেক সময় বাসার পরিবেশটাই তার জন্য বিরূপ হয়। বাবা মাকে বাচ্চার সামনে মারছে, বা মা কাজের লোককে বাচ্চার সামনে মারছে, কিম্বা বাবা/মা বাচ্চাকে সামান্য কারণেই মারছে। সে শিখছে “নিজের মতের বিরুদ্ধে কিছু হলেই মারতে হয়”! তাই আগে রাগের কারণ অনুসন্ধান করুন। নিজেকে শিশুর জায়গায় কল্পনা করুন। কখন আপনার রাগের চোটে অন্যকে মারতে ইচ্ছা করে, অথচ নিজেকে কনট্রোল করেন? আপনি কথা বলতে পারছেন, তাই সেটা প্রকাশ করতে পারছেন। কিন্তু সে পারছে না বলেই হয়তো মারামারি করছে।

যদি খেলার সময় অন্য বাচ্চার সাথে মারামারি করে তাহলে তাকে বিস্তারিত পড়ুন