আবু সুফইয়ান: ছিলেন প্রতিপক্ষ, হলেন সাহাবী

marigold-1568646_640

আবু সুফইয়ান। তিনি ছিলেন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাচাতো ভাই। তাঁর বাবা হারিস এবং রাসুলের পিতা আব্দুল্লাহ, দুজনেই ছিলেন আব্দুল মুত্তালিবের সন্তান। বয়েসের দিক থেকে আবু সুফইয়ান রাসুল সাল্লাল্লহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সমবয়সী ছিলেন এবং দুজনই একই সময়ে হালিমাহ আস-সা’দিয়াহ (রা)-এর দুধ পান করেছিলেন।

রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নবুওত লাভ করার আগ পর্যন্ত ছিলেন আবু সুফইয়ানের সবচেয়ে কাছের মানুষ। সমবয়সী দুজন, একই দাদার নাতী তারা, একই সাথে বেড়ে ওঠা, এসব কারণে দুজনের মধ্যে তৈরি হয়েছিল গাঢ় বন্ধুত্ব। আর তাই রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নবুওত লাভ করলেন তখন সবারই ধারণা ছিল যে আবু সুফইয়ান হবেন বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

ফাতিমা (রা): মানবজাতির সর্বশ্রেষ্ঠ চারজন মহিলাদের একজন

sunset-joshua-tree

ফাতিমা (রা) ছিলেন রাসুলে কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কলিজার টুকরো। ভালোবাসার আতিশয্যে, খুশির তীব্রতায় রাসুল দাঁড়িয়ে যেতেন যখন ফাতিমা (রা) হাজির হতেন তাঁর সামনে। নিজে আরামআয়েশে থাকতেন না, খেয়ে না খেয়ে জীবন কাটিয়েছেন, কিন্তু নিজের মেয়ের জন্য তিনি চাইলে একটি আরামের জিন্দেগির ব্যবস্থা খুব সহজেই করতে পারতেন।  বিস্তারিত পড়ুন

রাসুল (ﷺ)-এর তিনটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট যা খুব কম মানুষের মাঝেই পাওয়া যায়

Shadow

রাসুল (ﷺ)-এর চারিত্রিক গুণাবলির বিবরণ দিতে গিয়ে এক সাহাবী তাঁর তিনটি গুণ বর্ননা করেছেন:

ক) তিনি ছিলেন ব্যাথার সমুদ্রে নিমজ্জিত;
খ) তিনি থাকতেন সবসময় চিন্তিত; এবং
গ) কখনো তিনি স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলতে পারতেন না।

সাধারণভাবে চিন্তা করলে এই তিনটি অবস্থা একজন মানুষের কোনো গুণ হতে পারে না। বরং, সর্বদা দুঃখ-কষ্টে চিন্তিত ও অস্থির থাকা – এটা তো আল্লাহর এমন এক শাস্তির নাম যা থেকে স্বয়ং রাসুল (ﷺ) সবসময় আশ্রয় চাইতেন। তাছাড়া তাঁর ব্যাপারে তো একথাও রয়েছে যে, তিনি সবসময় হাসিখুশি থাকতেন। গোমড়া মুখে তাঁকে কেউ দেখেছে এমন কোনো বর্ণনা তো পাওয়া যায় না। তাহলে একইসাথে সবসময় চিন্তিত এবং হাসিখুশি কিভাবে থাকা সম্ভব?  বিস্তারিত পড়ুন

যেসব কারণে দু’আ কবুল হয় না

Sultanahmet Camii, Istanbul

আমাদের অনেকের মনেই দু’আ কবুল না হওয়ার একটি অভিযোগ প্রায়ই আসে। আল্লাহর কাছে অনেক দু’আ করি, কিন্তু মনে হয় যেন কোনো লাভ হচ্ছে না।

প্রথম কথা হলো, দু’আ তিনভাবে কবুল হয়: (১) হুবুহু যেই বিষয়ে দু’আ করা হয়েছে তাই দেয়া হয়, (২) যা চাওয়া হয়েছে তার পরিবর্তে যেটা আমাদের জন্য অধিকতর উত্তম তা দেয়া হয় কিংবা এর পরিবর্তে কোনো বিপদআপদ বা মুসিবত তাকদিরে থেকে থাকলে সেটা সরিয়ে নেয়া হয়, এবং (৩) কোনো কোনো দু’আর প্রতিদান দুনিয়াতে দেয়া হয় না, বরং আখিরাতে দেয়া হবে। এবং সেই প্রতিদান ইন’শা’আল্লাহ এত বিশাল হবে, অনেকেরই হয়তো আফসোস হবে, সবগুলো দু’আর বিনিময়ই যদি এই জগতে দেয়া হতো, তাহলে কতই না উত্তম হতো।

তবে, এর সাথে সাথে মনে রাখতে হবে, এমন কিছু দোষ রয়েছে, যেগুলো কারো মধ্যে যদি থাকে অথবা এমন কিছু বিষয়ে সে দু’আ করে যা চাইতে নিষেধ করা হয়েছে, তাহলে এই দু’আ কবুল করা হয় না। এই দু’আর কোনো প্রতিদানও সে পাবে না। না দুনিয়াতে, না আখিরাতে। নিচে তিনটি উদাহরন দেয়া হলো –  বিস্তারিত পড়ুন

এই রামযান থেকেই শুরু হোক কুরআনে কারিমের শিক্ষা

Quran Mushaf

১।

ছোট বয়সে যাদের কুরআন শেখার সুযোগ হয়নি, এরকম কাউকে যখন কুরআন শেখার দাওয়াত দেওয়া হয়, তখন এদের অনেকেই একটি উত্তর দেন – ছোটবেলায় শিখিনি, এখন এত বড় হয়ে শিখতে কেমন যেন সংকোচ হয়!

ভাই ! ধরুন আপনি কোথাও যাচ্ছেন। পথে আপনার স্যান্ডেল ছিঁড়ে গেল। আপনি তখন কী করবেন? অবশ্যই মুচির কাছে যাবেন। তা এই মুচিরা কোথায় বসে? নিশ্চয়ই বড় কোন শপিং কমপ্লেক্সের এসি কোনো দোকানে নয়। বরং দুর্গন্ধযুক্ত ড্রেনের পাশে, ধূলিধুসরিত রাস্তার পাশে এদের পাওয়া যায়।

পদমর্যাদা সম্মান সবদিক দিয়েই এত বিশাল একজন মানুষ হওয়া সত্ত্বেও একজন সাধারণ মুচির কাছে সামান্য একটি স্যান্ডেল ঠিক করার জন্য আপনি তখন ড্রেনের পাশে দাঁড়াবেন। প্রখর রোদ সহ্য করে তা ঠিক করাবেন। কিন্তু এতে আপনার বিন্দুমাত্র সংকোচ হবে না।

অথচ মহান আল্লাহর কালামকে ঠিক করার জন্য, সঠিকভাবে তিলাওয়াতের জন্য যখন অভিজ্ঞ একজন কারী সাহেবের দ্বারস্থ হতে আপনাকে আহবান করা হয়, তখন আপনার এত সঙ্কোচ হয়? বিস্তারিত পড়ুন