আমাদের ডেইলি লাইফ আর রমযান মাসের একটি দিন

এই রমযান মাসে আপনি কি করছেন? কিভাবে রমযান মাসকে আপনি সাজাচ্ছেন? এখনতো রমযান আপনার ঘরের মধ্যে; নিজের মধ্যে কোনও পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছেন কি? নিজেকে একদম অন্যরকম মনে হচ্ছে না?

ramadan-euphoria[1]হ্যাঁ, আপনি নিজেকে একেবারে বদলে ফেলেছেন। একটু লক্ষ্য করে দেখুনতো; রমযান শুরু হওয়ার আগের দিনগুলোতে আপনি কেমন ছিলেন আর এখন কেমন আছেন? এই রমযান মাসে আপনি অনেক কিছু ভাবছেন কোনও কিছু করার আগে। মনে হচ্ছেনা যে; এই কাজটা করলে আপনার রোযার সমস্যা হবে, ওই কাজটা করলে আল্লাহ নারাজ হবেন। আসলে কি জানেন আপনি এমনটাই ভাল যেমনটা আপনি রমযান মাসে থাকেন। খুব অবাক লাগছে না, এই কথা শুনে? রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন –

“আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা রমযান মাসে শয়তানকে বেঁধে ফেলেন”

আর যার জন্য মানুষ এই মাসে খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকে এবং ভাল ভাল কাজের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তার মানে এই কথাটা থেকে কি বুঝা যায়না, আমরা শয়তানকে আমাদের ডেইলি লাইফে কত প্রশ্রয় দেই? তা না হলে আমাদের তো খারাপ কাজ করার কথা ছিলনা। আসুন দুইটি রিয়েল লাইফ সিনারিও দেখার চেষ্টা করি।

আমাদের সমাজের মেয়েরা যারা ঘরের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বা কর্মক্ষেত্রে গিয়ে থাকে কিন্তু সঠিক ভাবে হিজাব রক্ষা করে না। কার জন্য আমরা এত সেজেগুজে হিজাব ছেড়ে বের হই? নিজের জন্য না, অন্য কাউকে দেখানোর জন্য। আসলে আমরা মাথায় কাপড় দিতে লজ্জা পাই, আবার অনেকে আল্লাহর এই বিধানের ব্যপারে এতই অবাধ্য যে জেনেও আমরা না জানার ভান করি। কারন মানুষ কি বলবে এই ব্যপার নিয়েই আমরা বেশি চিন্তিত। হিজাব করতে আমাদের লজ্জা লাগে কিন্তু চুল খোলা রাখতে বা শরীর দেখাতে লজ্জা লাগেনা; হাস্যকর! আবার অনেক মেয়েকে দেখা যায় হিজাব পরে আছে কিন্তু টাইট ড্রেস পরা।

কিন্তু আমরা যদি একটু ভেবে দেখি তাহলে দেখব আমাদের দোযখের আগুনে পুড়তে হবে এইসব অবাধ্যতার কারনে। সূরা আন-নূর এর ৩১ নম্বর আয়াতে হিজাবের ব্যপারে বলা হয়েছেঃ

“ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো কাছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।”

আমরা অনেকে এই পবিত্র মাসে হিজাব পরি, কারন শয়তান আমাদের এই মাসে কাবু করতে পারেনা। তবে আমাদের আল্লাহর এই বিধান পুরো ১১ মাস জুড়েই পালন করা উচিত। একটি স্কলারলি উক্তি হিজাব নিয়ে –

“Hijaab is a crown you need to deserve it & once you get the crown you need to preserve it”

আপনি কোনও দেশের রানীকে গিয়ে যদি বলেন ‘আপনার মাথার মুকুট খুলুন’ তিনি কি রাজী হবেন? অবশ্যই না। কারন এই মুকুট তার জন্য অনেক মূল্যবান। কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু তাআলার কাছে একজন মুমিন বান্দার হিজাব ওই রানীর মাথার মুকুট থেকেও অনেক মূল্যবান। সুবহানাহুল্লাহ। কারন সূরা আন-নূর এর আয়াতে বলা হয়েছে – সফলকাম হওয়ার জন্য হিজাব পরতে হবে; মুকুট না পরলেও চলবে।

আর একটি ব্যপার হচ্ছে আজকাল আমরা খুব গীবত করতে এঞ্জয় করি। নিজের মোবাইলের টাকা খরচ করে হলেও গীবত করি। কিন্তু একটু ভেবে দেখিনা যে, গীবতকারী মৃত ভাইয়ের গোশত খায় – একটু এই গোশতের টেস্টটা উপলব্ধি করে দেখুন কেমন লাগে। আর যদি এই বাজে উপলব্ধির পরও আমরা আমাদের অভ্যাস বদলাতে না পারি তাহলে বলতেই হয় আমরা গল্পের সেই রক্তচোষা রাক্ষস বা পশুর থেকেও অধম।

কিন্তু রমযান মাসে কি হয় আমরা মনযোগ দিয়ে কুরআন তিলাওয়াত অথবা হাদিস থেকে শিক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করি। কারন আমাদের এই সময় শয়তান কুমন্ত্রণা দেয়না। সে থাকে তখন জেলখানায়। আর দেখলেন! আপনি আসলে ভাল, তা না হলে আপনি কিন্তু রমযান মাসে এসব থেকে বের হয়ে আসতে পারতেননা। তবে আপনাকে অন্য মাস গুলোতে হতে হবে আরও শক্ত এবং এসবের বিরুদ্ধে জিহাদ করতে হবে।

আরও লক্ষনীয় ব্যপার হচ্ছে সারা বছর আমাদের নামায পড়ার কথা মনে থাকেনা। যেখানে দিনের নামাযে মাত্র এক থেকে দুই কাতার (লাইন) হয় সেখানে রমযান মাসে (এমনকি ফজরের টাইমেও) মসজিদে জায়গা পাওয়া মুশকিল হয়ে যায়, মাশাল্লাহ। এর থেকে বুঝা যায় আল্লাহ চাইলে সব কিছুই সম্ভব; কিন্তু আমাদের নিজেদের ‘ইচ্ছা শক্তি’ বলে একটা ব্যপার আছে। আর এই মাসে এটাই প্রমান হয় যে, আল্লাহ সুবহানাহুতাআলা আমাদের উপর কতই রহমত করছেন; তাঁর একটু স্মরণ করার সু্যোগ করে দিয়ে। আর সমস্ত গুনাহ থেকে বিরত থাকার একটা উপায় করে দিয়ে।

আপনার কি এখন মনে হচ্ছেনা আসলে সবকিছু শয়তানের ধোঁকা? একটি আর্টিকেলে পড়ছিলাম যেখানে লেখক বলেছেন ‘ইবন কাইয়ুম আল-যাওযিয়্যাহ’ এর মতে ‘ইবলিস আমাদের কাছে তিনটি দরজা দিয়ে আসে’। এগুলো হচ্ছে ইবলিসের ঢোকার পথ। এমন নয় যে সে এর দ্বারা আমাদের খারাপ কাজ করায়, বরং এর মাধ্যমে সে আমাদের রাডারকে একটু একটু করে টার্ন করতে থাকে খারাপ কাজের/জাহান্নামের দিকে। আর সেই দরজা তিনটি হল –

  1. Babul Ghadhab: The door of anger [রাগ]
  2. The Door of Desires [কামনা/বাসনা]
  3. The Door of Ghaflah (Negligence) [অবহেলা/গাফিলতি]

রমযান মাসে আপনি যেভাবে নিজেকে পরিবর্তন করে ফেলেন সেভাবে আপনি কিন্তু নিজেকে সারা বছরের জন্য পরিবর্তন করতে পারেন। শুধু দরকার একটু ইচ্ছা শক্তি। আল্লাহ সুবহানাহুতাআলা যেন আমাদের সবাইকে সঠিক পথে ফিরে এসে প্রতিনিয়ত ভাল কাজ করার তওফিক দেন। আমিন।

Advertisements

দ্বিতীয় অতিথির ইসলামিক লাইফস্টাইল

প্রথম অতিথির কথা তো শুনলেন, এবার আমাদের দ্বিতীয় অতিথি কথা বলি যিনি হচ্ছেন প্রসাধনী দোকানের একজন মহিলা কর্মচারী। এই অতিথির ইসলামিক লাইফ-স্টাইল আমাকে এতই অনুপ্রাণিত করেছে, শিক্ষণীয় ব্যাপারগুলো এই লেখায় উল্লেখ করতে বাধ্য হলাম।rain[1]

আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষাঃ
অনেক দিন পরে সেই প্রসাধনী দোকানে যাওয়ার পর উনি আমাকে তাঁর খুশির সংবাদটি জানালেন যে তিনি মুসলিম হয়ে গেছেন, আল্লাহু আকবার। তিনি বললেন “বাবা মা তাকে অনেক বাঁধা দেন এ ব্যাপারে, কিন্তু সত্যটা উপলব্ধি করার পর থেকে সৃষ্টিকর্তাকে খুশি করার জন্য তাঁর এই পরিবর্তন, আর বললেন জান্নাত পাওয়ার জন্য না হয় পরিবারের অবাধ্য হলাম, কিন্তু পরিবারকে তো আর ছেড়ে দেয়নি”। বাহ! কি সুন্দর ভাবনা।

ইসলামিক শিষ্ঠাচারঃ
আমি উৎসুক হয়ে তাকে জিজ্ঞাস করলাম “আপনি যে মাথায় কাপড় (হিজাব) দিয়ে রাখেন, অস্বস্তি লাগে না?” তিনি খুব সুন্দর বললেন “আল্লাহর হুকুম তো আর অমান্য করা যাবেনা, আল্লাহকে খুশি করার জন্য সব করতে পারব।” তারপর জানলাম তিনি নামায শিখেছেন, পাশাপাশি কুরআন পড়াও শিখছেন এবং চলাফেরাও একেবারে পরিবর্তন হয়ে গেছে দেখলাম। মাশাআল্লাহ।

নামাযের গুরুত্বঃ
আর একদিন যখন গেলাম, তিনি আমাকে দেখে বললেন “আপু আপনার কাজে হাত দিতে একটু দেরী হবে, কারণ আমি এখনও নামায পড়িনি, তাই নামাযটা পরে তারপর আপনার কাজটা ধরব”। শিক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে, আমরা যারা লাখ টাকা অর্জন করি তারাও হয়ত নিজের কাজ ফেলে পাঁচ মিনিটের জন্য নামাযে যায়না, আর দেখুন নামমাত্র টাকা সম্মানী পাওয়া এই কর্মচারী নামাযের গুরুত্ব। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনে তাই বলেছেনঃ

“বল, তোমাদের নিকট যদি তোমাদের পিতা তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই তোমাদের পত্নী, তোমাদের গোত্র তোমাদের অর্জিত ধন-সম্পদ, তোমাদের ব্যবসা যা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয় কর এবং তোমাদের বাসস্থান-যাকে তোমরা পছন্দ কর-আল্লাহ, তাঁর রসূল ও তাঁর পথে জেহাদ করা থেকে অধিক প্রিয় হয়, তবে অপেক্ষা কর, আল্লাহর বিধান আসা পর্যন্ত, আর আল্লাহ ফাসেক সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না”। [সূরা তাওবাহ]

রমযান মাসের মর্যাদাঃ
এরপর রোযার শুরুতে যখন দেখা হল; তখন উনাকে বললাম “আপনার সারাদিন না খেয়ে রোযা রাখতে কষ্ট হবেনা”, তিনি বললেন “আল্লাহর রহমতে হবে না, আল্লাহ আমাকে সাহায্য করবেন”।

আমি তাঁর এসব কথা ভাবলে আজও অবাক হয়। নতুন মুসলিম হয়েও ইসলামের বিধানগুলোর প্রতি তাঁর এত সম্মান, আমাকে আজও নতুন ভাবে অনুপ্রাণিত করে।

আমরা মুসলিমরা অনেক আর্থিক সুবিধা ভোগ করি – এক্সট্রা বোনাস, ছুটি আরও কত কি। আর দেখুন কোনও বিশেষ সুবিধার জন্য এই কর্মচারী বা প্রথম পর্বের আপু মুসলিম হননি, শুধুমাত্র আল্লাহকে খুশি করার উদ্দেশ্যই লক্ষ্য করা যায় দুজনের প্রত্যেকটি ব্যাপারে।

আমরা যারা জন্ম থেকে মুসলিমের ট্যাগ লাগিয়ে শুধু বসে আছি, এসব নতুন অতিথির চেয়ে আল্লাহর কাছে আমাদের স্থান যে কত নিচে ভাবতেও লজ্জা লাগে। তাই আসুন আর দেরী না করে এখনি জীবনকে পরিবর্তন করে ফেলি, এবং আল্লাহকে খুশি করার জন্য চেষ্টা করতে থাকি। আর এটাইতো হওয়া উচিৎ একজন মুসলিমের জীবনের মুখ্য উদ্দেশ্য।

প্রথম অতিথির ঈমানের চেতনা

আমাদের দুইটি নতুন অতিথির প্রানের স্পন্দন নিয়ে দুই পর্বের লেখা, আপনাদের হয়ত মনে হতে পারে সদ্য জন্ম নেওয়া কারও কথা বলছি। অবশ্য তা বললেও ভুল হবেনা; কারণ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন “কেউ যখন মুসলিম হয় তাঁর সমস্ত পূর্বের গুনাহ গুলো মাফ করে দেওয়া হয়, এবং সে একজন নবজাতক শিশুর মত হয়ে যায়”।Custom-App-Development-for-Business-Growth[1]

প্রথম অতিথি হচ্ছেন এক শিক্ষিকা; যিনি আমার বোনকে পড়াতে আসতেন, সেই সুবাদে মাঝে মাঝে তার মুখে ইসলামের ব্যাপারে তাঁর ভাল ধারণার কথা শুনতাম, ভাল লাগত। বুঝতে পারলাম মুসলিমদের ইবাদতের ধরণগুলো উনার হৃদয়ে ইসলামের আলো জাগাতে শুরু করতে থাকে। অবাক কাণ্ড তাই না! আমরা মুসলিমরাও হয়ত পরিবেশ থেকে এভাবে ভাল শিক্ষা গুলো চোখ মেলে দেখিনা।

আর এর প্রভাবে তিনি মুসলিম হওয়ার আগেই কুরআন থেকে সুরা ফাতিহা, ইখলাস ইত্যাদি মুখস্থ করে ফেলেন। পরবর্তীতে নামাযের নিয়ম-কানন দেখা শুরু করলেন এবং পাশাপাশি তাঁর মাকে বোঝানো শুরু করলেন ইসলামের ব্যাপারে তাঁর সুন্দর ধারণার কথা। অনেক পারিবারিক বাধা বিপত্তির মধ্যেও তিনি তাঁর এক শুভাকাঙ্ক্ষীর সাহায্যে মুসলিম হয়ে; বিয়ের পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হলেন। দেখুন সদিচ্ছা থাকলে কিভাবে আল্লাহ মানুষের জীবন পরিবর্তন করে দেন। সুবহানাল্লাহ।

মুসলিম তো হলেন তবে আমাদের জন্য শিক্ষণীয় যে বিষয়টি তা হলো; উনার ঈমান ধরে রাখার প্রচেষ্টা। আর আমি তা বুঝতে পারলাম যখন তিনি আমাকে একদিন বলতে লাগলেন “আপু আমাকে বলবেন কিভাবে আমার ঈমানটাকে ধরে রাখতে পারব, আর আল্লাহর রহমত বেশি বেশি পাব…”। আমি শুধু অবাক হয়ে কথা গুলো শুনতে লাগলাম। আমরা কি কখনও ভেবে দেখেছি; জন্মসূত্রে পাওয়া এই ঈমানের চর্চা, রক্ষণাবেক্ষণ, বৃদ্ধি কিভাবে করা যায়?

আমরা যারা মুসলিম তারা হয়ত মনে করতে পারি আমাদের মৃত্যুও হবে ঈমানের উপর; আর জান্নাতে তো একদিন যাবই। হ্যাঁ, আশা রাখা ভাল তবে তার জন্য কাজ ও করতে হয়। কারণ মনে রাখবেন পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে হলে কিন্তু সময়মত স্টাডি করতে হয়।

ঠিক একইভাবে ঈমানের পরীক্ষায় পাশ করতে হলেও আমাদের এই ঈমান বৃদ্ধির চর্চায় লেগে থাকতে হবে; যার জন্য কুরআন বুঝে পড়া, হাদিস দেখা, ইসলামিক বই পড়া, স্কলারসদের লেকচার শোনা ও ডিসকাশনে অংশগ্রহণ করা এবং পারিবারিক আলোচনা ও ভাল বন্ধু নির্বাচন ইত্যাদিতে ফোকাস করতে হবে, যা আমাদের আল্লাহর স্মরণে সাহায্য করবে।  

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যেন আমাদের প্রকৃত ঈমানের অধিকারী এবং তা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি করার সুযোগ দেন, আমিন। আর তাই তিনি কুরআনে আমাদের বলেছেন সর্বদা তাঁর স্মরণ করতেঃ “নিশ্চয়ই, আল্লাহর স্মরণ দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়” [সূরা রা’দঃ আয়াত ২৮]

ইনশাআল্লাহ, পরবর্তী লেখায় আমাদের “দ্বিতীয় অতিথির ইসলামিক লাইফস্টাইল” নিয়ে লিখব, আশা করি সঙ্গে থাকবেন।