রমাদান: আত্মশুদ্ধি অর্জন ও কুরআনের মাস

Quran on prayer mat

রমাদান মাস এবং সিয়াম নিয়ে খুবই সংক্ষিপ্ত কিছু কথা পড়ার আগে আসুন আমরা পিছনের বছরের ইতিহাসটা একটু দেখি। একজন মুসলিম হিসেবে গত রমাদান থেকে এই রমাদান — কতটুকু আগালাম, কতটুকু পিছালাম? কতটুকু অর্জন, কতটুকু বর্জন? অতঃপর … একটা সহজ সিদ্ধান্তে আসি যে, আগামী বছরটাও কি আমি এমনই চাই? নাকি, ভিন্ন কিছু? বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

জুমু’আর নামাযের সময়ে কোনো কাজ বা বিনোদন নয়

jama-masjid-delhi

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেরি করে জুমু’আর নামায পড়তে বের হচ্ছি। বাংলাতে বয়ান শেষ হওয়ার পর চার রাকাত নামায আদায় করার জন্য যে বিরতি দেওয়া হয় সেই সময়ে উপস্থিত হওয়ার চেষ্টা করছি। ভাঙাচোরা আরবি যতটুকু বুঝতে পারি তাতেই মোটামুটি কাজ চলে যাচ্ছে।

যাওয়ার পথে দেখি মুচি জুতা সেলাই করছে। নির্মাণকর্মী ইট ভাঙছে। দোকানদার দোকান খুলে বসে আছে। রেস্তোরাঁকর্মী মুরগি নিয়ে ব্যস্ত। ছাপাখানার কর্মী বই বাঁধাইয়ের কাজে মগ্ন। সুন্নতি দাঁড়িওয়ালা শ্রমজীবি মানুষ পর্যন্ত কাজে লিপ্ত। বিস্তারিত পড়ুন

আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার (৭): সালাত প্রতিষ্ঠা করবে

সূরা আল-বাক্বারাহ-এর ৮৩তম আয়াতের ওপর ধারাবাহিক আলোচনার সপ্তম কিস্তি।

আল্লাহ ﷻ এই আয়াতে আমাদেরকে এমন কিছু করতে বলবেন, যেগুলো আমরা সচরাচর শুনতে চাই না। বরং কেউ আমাদেরকে এই কথাগুলো বললে আমাদের গা জ্বালা করে, আমরা নানা টালবাহানা করে, অজুহাত দেখিয়ে এগুলো এড়িয়ে যেতে যাই। আজকে আমরা মুসলিমরা কত নীচে নেমে গেছি, সেটা এই আয়াত থেকে একেবারে পরিষ্কার হয়ে যাবে—

2_83

মনে করে দেখ, যখন আমি বনী ইসরাইলের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়েছিলাম: “আল্লাহ ছাড়া আর কোনো কিছুরই ইবাদত করবে না; বাবা-মার জন্য সবকিছু সবচেয়ে ভালোভাবে করবে; এবং নিকটাত্মীয়, অসহায়-এতিম আর গরিব-সামর্থ্যহীনদের সাথেও; মানুষের সাথে খুব সুন্দর ভাবে কথা বলবে; সালাত প্রতিষ্ঠা করবে এবং যাকাত দিবে।” এরপরও তোমাদের কয়েকজন ছাড়া বাকি সবাই মুখ ফিরিয়ে নিলে। তোমরা কথা দিয়ে কথা রাখোনি। [আল-বাক্বারাহ ৮৩]

বনী ইসরাইলিরা ছিল সেই যুগের মুসলিম। তাদের কাছ থেকে আল্লাহ ﷻ কিছু অঙ্গীকার নিয়েছিলেন। তারা সেগুলো মানেনি। আল্লাহ ﷻ তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। আজকের যুগের মুসলিমরা হচ্ছে বনী ইসরাইলের উত্তরসূরি। আমরা কতখানি সেই অঙ্গীকার মানছি দেখা যাক— বিস্তারিত পড়ুন

আল্লাহর সাথে কৃত অঙ্গীকার (১): আল্লাহ ছাড়া আর কোনো কিছুরই ইবাদত করবে না

সূরা আল-বাক্বারাহ-এর ৮৩তম আয়াতের ওপর ধারাবাহিক আলোচনার প্রথম কিস্তি।

আল্লাহ ﷻ এই আয়াতে আমাদেরকে এমন কিছু করতে বলবেন, যেগুলো আমরা সচরাচর শুনতে চাই না। বরং কেউ আমাদেরকে এই কথাগুলো বললে আমাদের গা জ্বালা করে, আমরা নানা টালবাহানা করে, অজুহাত দেখিয়ে এগুলো এড়িয়ে যেতে যাই। আজকে আমরা মুসলিমরা কত নীচে নেমে গেছি, সেটা এই আয়াত থেকে একেবারে পরিষ্কার হয়ে যাবে—

2_83

মনে করে দেখ, যখন আমি বনী ইসরাইলের কাছ থেকে অঙ্গীকার নিয়েছিলাম: “আল্লাহ ছাড়া আর কোনো কিছুরই ইবাদত করবে না; বাবা-মার জন্য সবকিছু সবচেয়ে ভালোভাবে করবে; এবং নিকটাত্মীয়, অসহায়-এতিম আর গরিব-সামর্থ্যহীনদের সাথেও; মানুষের সাথে খুব সুন্দর ভাবে কথা বলবে; সালাত প্রতিষ্ঠা করবে এবং যাকাত দিবে।” এরপরও তোমাদের কয়েকজন ছাড়া বাকি সবাই মুখ ফিরিয়ে নিলে। তোমরা কথা দিয়ে কথা রাখোনি। [আল-বাক্বারাহ ৮৩]

বনী ইসরাইলিরা ছিল সেই যুগের মুসলিম। তাদের কাছ থেকে আল্লাহ ﷻ কিছু অঙ্গীকার নিয়েছিলেন। তারা সেগুলো মানেনি। আল্লাহ ﷻ তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। আজকের যুগের মুসলিমরা হচ্ছে বনী ইসরাইলের উত্তরসূরি। আমরা কতখানি সেই অঙ্গীকার মানছি দেখা যাক—  বিস্তারিত পড়ুন

সালাত আদায় করা নিয়ে আমার কিছু উপলব্ধি

Photo credit: Omar Chatriwala, via flickr[dot]com/photos/omarsc/4638491611/

Photo credit: Omar Chatriwala, via flickr[dot]com/photos/omarsc/4638491611/

সালাত আদায় (নামাজ) নিয়ে আমার কিছু উপলব্ধি হয়েছে, আর সেগুলিই একটু শেয়ার করছি মাত্র। সালাতের যত ফজিলত আছে সেগুলিকে অবশ্যই উপরে রেখেই আমি আমার কিছু উপলব্ধিকে প্রকাশ করছি। আর আমি শুধু আমার নিজের উপলব্ধির কথা বলছি, যা আমি অন্য কোথাও কখনো পড়িনি।

প্রথম উপলব্ধি:

নামাজকে ফরজ করা হয়েছে। তার মানে, ওই পাঁচ ওয়াক্ত আমারা যে কাজেই থাকি না কেন, আল্লাহ্‌র কাছে সেজদা দিতে হবেই হবে। সালাত আদায় করতে হবেই হবে। কারণ এটা ফরজ।

এবার এই হুকুম থেকে আমি যে উপলব্ধি পেলাম তা এমন:  বিস্তারিত পড়ুন