দাঁড়ি, হিজাব ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং নারী-পুরুষ পারস্পরিক আচরণবিধি (অনুবাদ)

Abu Aaliyah – Surkheel Sharif-এর “Beards, Hijabs & Body Language: Gender Relations” লেখাটি থেকে অনুদিত। অনুবাদের সময়ে সামান্য পরিমার্জন করা হয়েছে আমাদের পার্সপেক্টিভের সাথে মিল রাখার জন্য। অনুবাদের অনুমতি নেয়া হয়েছে।

Man and woman

নারী-পুরুষের সম্পর্ক নিয়ে ইসলাম কী বলে? এরা একে অপরের সাথে কীভাবে সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রেখে ওঠাবসা ও চলাফেরা করতে পারে? এ বিষয়ে ইসলামী শরীয়ার জ্ঞান ও বিধিনিষেধ কীভাবে প্রতিদিনের জীবনে কাজে লাগানো যায়? এই লেখায় আমরা এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। প্রথমেই আমি এই বিষয়ে শরীয়ার মূলনীতিগুলো তুলে ধরব। তারপর আমরা নারী-পুরুষ সম্পর্কের ব্যবহারিক ও প্রাসঙ্গিক দিক নিয়ে আলাপ করব। বিস্তারিত পড়ুন

রাসুল (ﷺ)-এর তিনটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট যা খুব কম মানুষের মাঝেই পাওয়া যায়

Shadow

রাসুল (ﷺ)-এর চারিত্রিক গুণাবলির বিবরণ দিতে গিয়ে এক সাহাবী তাঁর তিনটি গুণ বর্ননা করেছেন:

ক) তিনি ছিলেন ব্যাথার সমুদ্রে নিমজ্জিত;
খ) তিনি থাকতেন সবসময় চিন্তিত; এবং
গ) কখনো তিনি স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলতে পারতেন না।

সাধারণভাবে চিন্তা করলে এই তিনটি অবস্থা একজন মানুষের কোনো গুণ হতে পারে না। বরং, সর্বদা দুঃখ-কষ্টে চিন্তিত ও অস্থির থাকা – এটা তো আল্লাহর এমন এক শাস্তির নাম যা থেকে স্বয়ং রাসুল (ﷺ) সবসময় আশ্রয় চাইতেন। তাছাড়া তাঁর ব্যাপারে তো একথাও রয়েছে যে, তিনি সবসময় হাসিখুশি থাকতেন। গোমড়া মুখে তাঁকে কেউ দেখেছে এমন কোনো বর্ণনা তো পাওয়া যায় না। তাহলে একইসাথে সবসময় চিন্তিত এবং হাসিখুশি কিভাবে থাকা সম্ভব?  বিস্তারিত পড়ুন

পর্ণগ্রাফি আসক্তি: ভয়াবহতা ও মুক্তির উপায়

আমি অনেক সময় তরুণদের থেকে মেসেজ/ইমেইল পাই। তারা বলে, ভাইয়া আমি কিছুতেই পর্ণগ্রাফি দেখা ছাড়তে পারছি না, আপনার ইসলাম বিষয়ক লেখাগুলো পড়তে খুব ভালো লাগে। দয়া করে এই বিষয়ে কিছু লিখেন। এই লেখাটি তাদের জন্য উৎসর্গ করা হলো।

Pornography, Life and Art

Image credit: Alden Chadwick, via flickr[dot]com/photos/aldenchadwick/1570616895

মানুষকে জাহান্নামের দিকে ধাবিত করার জন্য শয়তানের অন্যতম অস্ত্র হলো নগ্নতা। আমাদের আদি পিতা-মাতা আদম(আ) ও হাওয়া(আ)-কে শয়তান জান্নাত থেকে বের করার আগে নগ্ন করে ছেড়েছিল। আল্লাহ্‌ বলেন:

7:27

হে আদমসন্তান, শয়তান যেন তোমাদের কিছুতেই প্রলুব্ধ না করে – যেভাবে সে তোমাদের পিতামাতাকে জান্নাত থেকে বের করেছিল – সে তাদেরকে তাদের লজ্জাস্থান দেখাবার জন্য বিবস্ত্র করেছিল … (সূরা আ’রাফ ৭:২৭)

মানুষকে নগ্ন করে বিপথে নেয়ার শয়তানের সেই চক্রান্ত শেষ হয়নি, বরং যুগের পর যুগ ধরে বেড়েই গেছে। আর বর্তমান যুগে শয়তানের এই শয়তানি চরম মাত্রা লাভ করেছে ইন্টারনেট পর্ণগ্রাফির কারণে।

যে কারণে পর্ণ আপনার দেখা উচিত নয়

পর্ণগ্রাফি মানুষকে মানসিক ও শারীরিকভাবে ভারসাম্যহীন করে দেয়। নিচে পর্ণগ্রাফির  ছয়টি ভয়াবহ ক্ষতিকর পরিণতি তুলে ধরা হলো। এখন থেকে যখন আপনার পর্ণ ফিল্ম দেখতে ইচ্ছে করবে, এই কথাগুলো নিজেকে মনে করিয়ে দিবেন।

) পর্ণগ্রাফি আপনাকে ভালোবাসার বিকৃত সংজ্ঞা শেখায়: আপনি যখন পর্ণ মুভি দেখেন তখন আপনি নিজের অজান্তেই অনুভূতিহীন, নিষ্ঠুর, স্বার্থপর মানুষে পরিণত হন। কারণ, পর্ণ মুভিগুলোতে মানুষের ভালো লাগা, ভালোবাসা, দুঃখ-কষ্ট-আনন্দ কোনো অনুভূতিকেই দেখানো হয় না, শুধু দেখানো হয় “পেনেট্রেশন”। অথচ বাস্তব জীবনে আপনি আপনার সঙ্গীকে আদর-সোহাগ করবেন, গল্প-গুজব করবেন, আড্ডা মারবেন, ঘুরতে যাবেন – এগুলো সবই একটা সুস্থ ভালোবাসাময় জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। পর্ণ মুভি আপনার হৃদয় থেকে ভালোবাসার সেই অনুভূতিকে কেড়ে নেয়, নষ্ট করে দেয়। পর্ণ মুভি আপনাকে এভাবে প্রোগ্রাম করে ফেলে যে, আপনি বিশ্বাস করা শুরু করেন যে ভালবাসার অপর নাম পেনেট্রেশন। বিস্তারিত পড়ুন

[রামাদান স্পেশাল] আজকের আয়াত #৩: উদার ব্যক্তিত্ব (অনুবাদ)

“ধার্মিক তো তারাই যারা ভালো ও খারাপ উভয় সময়েই অকাতরে দান করে, নিজেদের মেজাজকে নিয়ন্ত্রণে রাখে আর মানুষকে ক্ষমা করে। আর আল্লাহ তো তাদেরকেই ভালোবাসেন যাদের চরিত্র উত্তম।” (সূরাহ আলি-‘ইমরান, ৩:১৩৪)

এই আয়াতটি এর আগের আয়াতের সঙ্গে সম্পর্কিত। আগের আয়াতে বলা হয়েছে তাকওয়াবান লোকদের জন্যই জান্নাত। সাধারণত আমরা যখন তাকওয়া শব্দটি শুনি তখন আমরা ‘ইবাদাত ও মানুষের বাহ্যিক দিকের কথাই চিন্তা করি। কিন্তু এ আয়াতটিতে তাকওয়ার একটি ভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে: ব্যক্তিত্ব ও চরিত্র।

তাকওয়ার নিদর্শনস্বরূপ এই আয়াতে মানুষের ব্যক্তিত্বের তিনটি দিকের উল্লেখ করা হয়েছে। এবং প্রতিটি দিকই বিস্তারিত পড়ুন

এরাই তারা যাদেরকে সর্বোচ্চ পর্যায়ের জান্নাত দেওয়া হবে

“এরাই তারা যাদেরকে সর্বোচ্চ পর্যায়ের জান্নাত দেওয়া হবে, তাদের ধৈর্য্যর সাথে চেষ্টার জন্য। সেখানে তাদেরকে সাদরে অভ্যর্থনা এবং সালাম দিয়ে গ্রহণ করা হবে। অনন্তকাল সেখানে থাকবে তারা। কী সুন্দর সুখের বাসস্থান, বিশ্রামের জায়গা!” [সূরা আল-ফুরকান, ২৫:৭৫-৭৬]

Photo credit: flickr[dot]com/photos/qin1109/14516069496

Photo credit: flickr[dot]com/photos/qin1109/14516069496

কারা এরা? নিশ্চয়ই এরা অনেক উপরের লেভেলের কেউ। এরা নিশ্চয়ই ইসলামের জন্য বিরাট সব কাজ করেন, ফেইসবুকে ‘জিহাদ’ করেন, নাস্তিকদের নিয়ে ‘উচ্চমার্গের লেখালেখি’ করেন, পৃথিবীর যাবতীয় মুসলিম, দাঈ, স্কলারদের সম্পর্কে তাদের ‘জ্ঞান-গম্ভীর মতামত’ প্রদান করেন, গল্পের আসরে রাজনীতি, জিহাদ নিয়ে মুখে ফেনা তুলে ফেলেন? বা এরা নিশ্চয়ই নবী, রাসুল, সাহাবীগণ, যাদের সমান হওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়?

না। দেখুন, কারা এরা—
বিস্তারিত পড়ুন