দাঁড়ি, হিজাব ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং নারী-পুরুষ পারস্পরিক আচরণবিধি (অনুবাদ)

Abu Aaliyah – Surkheel Sharif-এর “Beards, Hijabs & Body Language: Gender Relations” লেখাটি থেকে অনুদিত। অনুবাদের সময়ে সামান্য পরিমার্জন করা হয়েছে আমাদের পার্সপেক্টিভের সাথে মিল রাখার জন্য। অনুবাদের অনুমতি নেয়া হয়েছে।

Man and woman

নারী-পুরুষের সম্পর্ক নিয়ে ইসলাম কী বলে? এরা একে অপরের সাথে কীভাবে সম্মানজনক সম্পর্ক বজায় রেখে ওঠাবসা ও চলাফেরা করতে পারে? এ বিষয়ে ইসলামী শরীয়ার জ্ঞান ও বিধিনিষেধ কীভাবে প্রতিদিনের জীবনে কাজে লাগানো যায়? এই লেখায় আমরা এই বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। প্রথমেই আমি এই বিষয়ে শরীয়ার মূলনীতিগুলো তুলে ধরব। তারপর আমরা নারী-পুরুষ সম্পর্কের ব্যবহারিক ও প্রাসঙ্গিক দিক নিয়ে আলাপ করব। বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

ভাষা আল্লাহর একটি বিশেষ নিয়ামত

Telephone

আন্তর্জাতিক ভাষা গবেষণা প্রতিষ্ঠান এথনোলগ-এর তথ্যানুসারে পৃথিবীতে বর্তমানে মোট ভাষার সংখ্যা ৭,১০৫টি। [১] তন্মধ্যে বাংলাদেশেই আছে ৪৪টি। [২] ভাষাভাষীদের সংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীতে বাংলা ভাষার অবস্থান ৭ম। পৃথিবীর ২০২ মিলিয়ন মানুষ এ ভাষায় কথা বলে, যা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ৩.০৫ শতাংশ। বিস্তারিত পড়ুন

অপরাধের কারণে অপরাধীর গীবত করা বৈধ হয়ে যায় না

Morning chit chat

Photo credit: flickr[dot]com/photos/kmanvendra/14050880094

গীবত বলা হয় কারো অগোচরে তার এমন দোষ সম্পর্কে আলোচনা করা, যেটা তার মধ্যে বিদ্যমান এবং সে শুনলে কষ্ট পাবে। কোরআন ও হাদিসে এই গোনাহটি সম্পর্কে বহুবার সতর্ক করা হয়েছে। এটা এমন একটি গোনাহ, যার গীবত করা হয়েছে, সে মাফ না করলে মাফ হবে না।

তবে, বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে ফুকাহায়ে কেরাম গীবত করাকে বৈধ বলেছেন। ইমাম নববী (রহ:) বলেন, ”সৎ ও শরীয়ত সম্মত উদ্দেশ্য সাধন যদি গীবত ছাড়া সম্ভব না হয়, তাহলে এক্ষেত্রে গীবত জায়েয।” তাঁর মতে ছয়টি ক্ষেত্রে গীবত করা বৈধ। এগুলো হলো: বিস্তারিত পড়ুন

সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের শিষ্টাচার

Social media icons

আজকের জুমু’আর নামাযের খুতবার বিষয় ছিলো: ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদি অনলাইন মাধ্যমের ফিতনা। খতিব সাহেব কুরআনের যে আয়াতগুলো থেকে আজ উদ্ধৃতি দিলেন তার কয়েকটি আয়াত এখানে উল্লেখ করছি। বিস্তারিত পড়ুন

ক্যাচালের সাত ধরন ও সুরাহা

Notebook & laptop on desk
ফেসবুক, ব্লগ, ওয়েবসাইট—অনলাইনে ক্যাচাল করার সবচেয়ে জনপ্রিয় তিন মাধ্যম। কারও কোনো কথা পছন্দ হলো না, অমনি শুরু হয়ে গেল। কারও কোনো যুক্তি নিজের আবেগ-বিশ্বাসে হানা দিল, শুরু হলো পাল্টা হামলা। কারও প্রমাণ নিজের পূর্বধারণার পরিপন্থী, ব্যাস শুরু হলো ক্যাচাল।
অনলাইনে নিজের মত প্রকাশের সহজতার কারণে আজকাল চায়ের দোকান থেকে ক্যাচাল জায়গা করে নিয়েছে কিবোর্ডে। অথচ একটু সতর্ক হলে, মাথাটা ঠান্ডা রাখলে, যৌক্তিক উপায়ে আগালে এই ক্যাচালই উন্নীত হতে পারে পারস্পরিক শ্রদ্ধাপূর্ণ মতপার্থক্যে। মানুষ সাধারণত কীভাবে ক্যাচাল করে সে ব্যাপারে প্রোগ্রামার, লেখক পল গ্রাহাম (পিএইচডি) তাঁর ওয়েবসাইটে একটি প্রবন্ধ লিখেছেন। সেখানে তিনি মতপার্থক্যের সাতটি ধরন উল্লেখ করেছেন। এগুলোর প্রথম তিনটি ধরন নির্ঘাত ক্যাচালের আওতায় পড়বে। পরের দুটোকে “ভিন্নমত” হিসেবে ধরা যায়। আর বাকি দুটোকে আমার মতে শ্রদ্ধাপূর্ণ মতপার্থক্যের মধ্যে ফেলা যায়।

বিস্তারিত পড়ুন