আপনার সন্তানদের দিয়ে ঘরের ছোটোখাটো কাজ করিয়ে নিন

hammer-tools

ওলে আমাল সোনা মনি, আমাল যাদু, আমাল জানের জান, আমাল চাঁদ, আমাল কলিজার টুকলা…

বাচ্চারা আসলেই কি যেন একটা যাদু। নইলে অমন করে ভালোবাসা আসে কেমন করে নিজ সন্তানের জন্য বা কোনো শিশুর জন্য? আমি হাজার কথায় লিখে বোঝাতে পারবো না যে, কী সেই গোপন রহস্য যার জন্য আমরা আমাদের সন্তানদের এত্তো ভালোবাসি! অদ্ভুত একটা সম্পর্ক গড়ে ওঠে আমাদের সন্তানের সাথে। বড় হতে থাকে সন্তানরা আমাদেরই চোখের সামনে দিনে দিনে ক্ষনে ক্ষনে।

ইদানিং দেখেছি আমরা আমাদের সন্তানদের কেমন যেন অদ্ভুত এক জীবনের লক্ষ্য নিয়ে বড় করছি। বিস্তারিত পড়ুন

শিশুকে সদাচার ও শিষ্টাচার শেখানো

door-entrance

কিছুদিন আগে একটি পরিবারের সাথে পরিচিত হলাম, যেখানে স্বামী-স্ত্রী দুজনই আগে ক্যাথলিক ছিল কিন্তু বর্তমানে মুসলিম। তাদের তিনটি সন্তানকে তারা এত সুন্দর শিষ্টাচার শিক্ষা দিয়েছে যে, আমি দেখে অভিভূত হয়ে গেলাম। কথায় কথায় একটা ইন্টারেস্টিং জিনিস শিখলাম। বিস্তারিত পড়ুন

সন্তানের খাতিরে হলেও আপনার পরিবারের গুমোট পরিবেশ দূর করার উদ্যোগ নিন

Child on couch

নিউরোটিক মা আর পাপেট ছেলে — এ ধরণের কম্বিনেশনের ছেলেদের দাম্পত্য বেশির ভাগ সময়েই হয় ডিভোর্স না হয় ‘নিয়ারিং টু ডিভোর্স’-এ গিয়ে ঝুলে থাকে। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে এই নিয়ে একটা পার্মানেন্ট দূরত্ব তৈরি হয়। এতে করে পরবর্তীতে সে পরিবারের সন্তানেরা একটা কনফিউজিং স্টেটে বড় হয়। (মা দাদীকে দেখতে পারে না, দাদী মায়ের নামে পচা কথা বলে, মা বাবার সাথে রাগ রাগ থাকে, বাবা অনেক ধমক দেয় না হলে চুপচাপ থাকে। কিন্তু সবাইই তো আমাকে আদর করে!)। বাচ্চাটার সামনে তখন অনেকগুলো প্রশ্ন দাঁড় করিয়ে দেয়া হয়। বড়দেরকে কীভাবে শ্রদ্ধা করতে হবে? সংসারের কর্তৃত্বটা আসলে কার হাতে? বাবাকে কতটুকু রেস্পেক্ট করব?  বিস্তারিত পড়ুন

নিউরোটিক মা + পাপেট ছেলে = ছেলের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি

“আপু, আপনি যা বলেছেন প্রত্যেকটা কথাই খুব বাস্তব। মনে হলো আমার জীবনটাই তুলে ধরেছেন আপনি।”

“আপু ঠিকই বলেছেন, কিন্তু আমাদের দিকটা তো কেউ দেখে না! আমরা যাই করি কেবল ভুল বোঝারই শিকার হই। সবাই নিজেরটা বুঝলে কী করে হবে? কাউকে না কাউকে তো ছাড় দিতে হবে!”

“আপু, আপনার থেকে অন্তত এমন একপেশে কথা আশা করিনি।”

ফেইল্ড দাম্পত্যে অসুখী পোস্ট-মেনোপজাল নিউরোটিক মায়েদের সম্পর্কে আমার লেখা পোস্টের প্রতিক্রিয়া। ছেলেরা বোকা না, অলস কুঁড়ে অন্ধও না। অন্যায়কে তারা দেখতে পায়। কেউ যখন বলে এটা অন্যায়, তখন মাথা নেড়ে মেনেও নেয়। কিন্তু …

এই কিন্তুতে গিয়েই পৃথিবী তাদের যেন থেমে যায়।

কিন্তু ১: সবই বুঝি, ‘কিন্তু’ কী করব? আমার মাকে তো যাই বলব তাই নিয়েই উনি বিশাল কান্নাকাটির যজ্ঞ বাধিয়ে ফেলবেন। কাজের কাজ কিছু হবে না, উল্টো আমি কত অকৃতজ্ঞ সন্তান তাই নিয়ে আরেকবার মহাকাব্য শুনতে হবে।

কিন্তু ২: স্বীকার করি, মা অন্যায় কথা বলেছেন। ‘কিন্তু’ আমার মা কোথা থেকে এসেছেন সেটাও তো তুমি দেখবে! উনি জীবনে কখনও সম্মান পাননি, সবকিছু মুখ বুজে সয়ে গেছেন আমাদের মানুষ করার জন্য। এখন আমরা প্রতিষ্ঠিত হয়ে তাঁকে সুখী করার দিন। আমরা কী করে মুখ ফিরিয়ে নিই?

কিন্তু ৩: মানি, তোমার আলাদা থাকার অধিকার আছে। ‘কিন্তু’ মানুষ কী বলবে একবার চিন্তা করে দেখেছ? তাছাড়া এই বৃদ্ধ বয়সে উনারা যাবেনই বা কোথায়?

কিন্তু ৪: হ্যাঁ, উনি তোমাকে খোঁটা দিয়ে কথা বলেন। ‘কিন্তু’ উনি তোমাকে এটা ভালোবেসেই বলেন। উনার মন ভর্তি অনেক মায়া আর ভালোবাসা। দেখ না, সেদিন তরকারির একটা ভালো পিস তোমার জন্য তুলে রেখেছিলেন?

কিন্তু ৫: হতে পারে তাঁরা তোমাকে বিভিন্ন সময় কটু কথা বলেছেন। ‘কিন্তু’ তুমিও কি কম যাও? সেদিন তুমি কীভাবে উত্তর দিয়েছিলে? এটুকু সহ্য করতে পার না?

কিন্তু ৬: দেখ, উনারা যাই করুক, শেষ পর্যন্ত উনি আমার মা। উনাকে কষ্ট দিয়ে আমি জান্নাত পাব না। আমি উনার পাশেই থাকব। তুমি এভাবে মেনে নিতে না পারলে চলে যাও।

কিন্তু।

কিন্তু।

কিন্তু।

সমস্যা সমাধানের কয়েকটা ধাপ আছে। প্রথম ধাপ একনলেজমেন্ট: স্বীকার করা যে, সেখানে কোনো একটা সমস্যা আছে। নিউরোটিক মায়েদের অন্ধের যষ্ঠি ছেলেদের ডিনায়াল মেকানিজম খুব কড়া। কারণ বড় হতে হতে মায়েদের ইমোশনাল অনেক অন্যায় কাজ/আচরণ তারা দেখে দেখে কনফিউজড হয়ে এসেছেন। প্রথম প্রথম হয়তো আপত্তি জানিয়েছেন, তাতে করে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে, এরপর সেঁকো বিষ খাওয়ানো সাপের মতো তারা সুপার কন্ডিশন্ড হয়ে গেছেন। মায়ের দোষকে দোষ মনে করা খারাপ। অন্যায়। অমন ভাবলে বিপদ হবে। বিস্তারিত পড়ুন

দম্পতির মাঝে শারীরিক অন্তরঙ্গতা

Red rose

আজকে দাম্পত্যের সবচাইতে স্পর্শকাতর বিষয়টা নিয়ে লিখব, যেটা নিয়ে কেউ কথা বলে না। যা নিয়ে অভিযোগ মনে আনাও পাপ, মুখে আনলে তো শেষ! এ বিষয়টা বাদ দিয়ে দাম্পত্য নিয়ে বুলি কপচানো রীতিমতো হঠকারিতা, কারণ বিয়ের আগ পর্যন্ত এ নিয়ে মানুষের জল্পনা কল্পনার শেষ থাকে না।

অন্তরঙ্গতা। সোজা ভাষায় শারীরিক সান্নিধ্য। যা নিয়ে বিয়ের আগে মেয়েদের উদ্বেগ, শংকা, লজ্জা মেশানো আকাঙ্ক্ষা, আর ছেলেদের কল্পনা, পরিকল্পনা – কোনো কিছুই বাধা মানতে চায়না – তা নিয়েও যে বিয়ের পরে দ্বন্দ্ব অভিযোগের অবকাশ থাকতে পারে, তা বিশ্বাস করা অবিবাহিতদের জন্য কঠিন বৈকি। বিবাহিতদের মধ্যেও অভিযোগগুলো দানা বাঁধলে তারা একরকম ধামাচাপা দিয়েই রাখতে চান। এর মূল কারণ, এসব বিষয়ে লজ্জার বাঁধ ভেঙে কথা বলা রীতিমতো অসম্ভব, কারণ নিজের স্বামী/স্ত্রীর সম্পর্কে এতটা খোলামেলা আলোচনা করা তাঁকে অসম্মান করারই সামিল। তাছাড়া এমন মানুষ আশপাশে পাওয়াও বেশ কঠিন যে একই সাথে উদার মনের, সমাধান জানে, গোপনীয়তা বজায় রাখবে এবং যার সম্পর্কে বলা তাকে আগের মতোই সম্মান করবে।

শারীরিক অন্তরঙ্গতা দম্পতির মাঝে এক নিগূঢ় যোগাযোগের মাধ্যম। এ যেন ছোটবেলার ‘কোড ওয়ার্ড’ দিয়ে কথা বলার মতো। আশপাশে আরো অনেকে থাকলেও তাদের নিজস্ব হাসি, ঠাট্টা, ছেলেমানুষি আনন্দের ভাগ দিতে হবে না কাউকেই। শরীরি আনন্দের মূর্ছনাকে তুলনা করা যায় বিস্তারিত পড়ুন