“হাসান, পরপারে দেখা হবে …”: যুদ্ধে সব হারানো এক সিরিয় শিক্ষকের বিদায়ী উক্তি

হাসান মিসরে পড়ালেখা করতে যাওয়া একজন পাকিস্তানী ছাত্র। তিনি তাঁর বন্ধু উস্তাদ নু’মান আলি খানকে এই চিঠিটি লিখেছিলেন, যেটি নু’মান আলি খান তাঁর সূরা বাকারা-র তাফসিরে ২৭৩ নাম্বার আয়াতের ব্যাখ্যা করতে গিয়ে পড়ে শুনিয়েছেন। ভিডিওটি দেখতে হলে bayyinah.tv-র সাবস্ক্রিপশন লাগবে। মূল বক্তব্য ঠিক রেখে কিছু সংযোজন-বিয়োজন করা হয়েছে।

Old man in devastated house

হাসান লিখছেন … 

আমি একটা আরব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছিলাম। আমার পড়ার বিষয় ছিল একটু ব্যতিক্রমী এবং কঠিন। তাই ঠিক করলাম যে, গ্রীষ্মের ছুটিতেও পড়ব। প্রথম ক্লাসেই বুঝলাম বিস্তারিত পড়ুন

এ সময়ের ফিতনাহ: ভোগ, চারিত্রিক স্খলন এবং চরমপন্থার হাতছানি (অনুবাদ)

Abu Aaliyah – Surkheel Sharif-এর “Fitnah: Coming to a Sin-e-World Near You! (Part 1)” লেখাটি থেকে অনুদিত। অনুবাদের সময়ে সামান্য পরিমার্জন করা হয়েছে আমাদের পার্সপেক্টিভের সাথে মিল রাখার জন্য। অনুবাদের অনুমতি নেয়া হয়েছে।

Man sitting

আরবী শব্দ ফিতনাহ-র অর্থ অনেক: পরীক্ষা, মতভেদ, দুঃখ-কষ্ট, প্রলোভন, গৃহযুদ্ধ, এবং এমন অন্য কোনো ঝগড়াঝাটি  যা ‘মুসলিম উম্মাহ-র ঐক্যে ফাটল ধরায় এবং এক দল মুসলিমকে আরেক দলের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।’[১] প্রাচুর্য, নারী ও গৃহযুদ্ধের মতো শাশ্বত ও চিরন্তন ফিতনাহ-র পাশাপাশি দুই পর্বের এই ব্লগ আলোচনায় ভুল পথের আহ্বায়ক, গভর্নমেন্ট দ্বারা ইসলাম ও মুসলিম স্কলারদের পোষ মানানোর চেষ্টা, আমাদের ধর্মের বিকৃত ব্যাখ্যার সক্রিয় প্রচার ও অর্থায়ন, সাম্প্রদায়িক হানাহানি এবং তাকফীরের মতো ফিতনাহগুলো নিয়েও আমরা আলোচনা করব। বিস্তারিত পড়ুন

ইসলামকে নতুন করে খুঁজে পাওয়া তরুণদের উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি

Brown envelope

প্রিয় সুহৃদ,

শুভেচ্ছা নিও।

তোমার পরিবারে ইসলামের চর্চা হয়তো সেভাবে নেই। শৈশব ও কৈশোরে ইসলামী পরিবেশ তুমি পাওনি। পরিবার ও পরিবেশের প্রভাবে তুমিও একসময় তাদের মতোই ছিলে। এরপর যে কারণেই হোক, কোনো একটি সময়ে তুমি তোমার শেকড়ে ফিরে আসতে চাইলে। তোমার স্রষ্টাকে তুমি নতুন করে চিনতে শুরু করলে। তোমার জীবনে নতুন বাঁক এল। তুমি একজন ভালো মুসলিম হওয়ার চেষ্টা শুরু করলে। পদে পদে তোমাকে নানাবিধ বাঁধা-বিপত্তি মোকাবেলা করতে হলো। তুমি হাল ছাড়লে না। আজও তুমি হাল ছাড়নি।

তোমাকে অভিনন্দন।  বিস্তারিত পড়ুন

ভয়কে জয় করুন, আপনার মুসলিম পরিচয় নিয়ে মাথা উঁচু করে চলুন

Level crossing

একবার আমার এক বন্ধুর বাসায় দাওয়াত খেতে গিয়েছিলাম। ২০১২ সালের কথা। তাদের বাসায় আগেও অনেকবার গিয়েছি। দাঁড়ি রাখার পর সেবারই প্রথম। খাবারের এক পর্যায়ে আন্টি জিজ্ঞেস করলেন, এরকম পরিবর্তন কেন? জঙ্গি দলে যোগ দিয়েছি নাকি। বন্ধু সেদিন তার মাকে আশ্বস্ত করেছিল, না ওরকম কিছু না। আমার সেই বন্ধু যদি কখনো দাঁড়ি রেখে পরিপূর্ণভাবে ইসলাম মানা শুরু করে, সেই বাসায় যে তুলকালাম বাঁধবে সেটা অনুমান করতে পারি।  বিস্তারিত পড়ুন

ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর — সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির প্রতিচ্ছবি

Khandaker Abdullah Jahangir

ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহ. ছিলেন সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির প্রতিচ্ছবি। বর্তমানে আমাদের দেশে যে প্রান্তিকতা চলছে, সুনির্দিষ্ট ও অনির্দিষ্ট ফিকহ অবলম্বনকারীদের মাঝে, তা তিনি দূরীকরণে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। ইন্টারনেট ও ডিশের প্রভাবে উন্মুক্ত পৃথিবীতে যে একই সমাজে নানা ফিকহের সম্মিলন শুরু হয়েছে, তা মোকাবিলায় তার ভূমিকা ছিল অনুকরণীয়। এছাড়া খৃষ্টান মিশনারিদের অপতৎপরতা রুখতে তাঁর ভূমিকা, বিদআত বিরোধী অবস্থান – সব মিলিয়ে তিনি উঠেছিলেন অনন্য উচ্চতায়। মোটামুটি সর্ব-মহলে তিনি ছিলেন সমাদৃত, শ্রদ্ধেয়।

আমার ক্ষুদ্র মিডিয়া জীবনে প্রতিষ্ঠিত অনেকের সাথেই প্রোগ্রাম করার সুযোগ হয়েছে। অনেকেই বিতরের নামায কত রাকাত, বা আমীন জোরে বলবে না আস্তে – এসব প্রশ্নের উত্তরে প্রান্তিকতার আশ্রয় নেন, অন্য সব মতামতকে সহজেই সুন্নাহবিরোধী ঘোষণা দিয়ে দেন, এবং উম্মাহর একটি বৃহৎ অংশকে – যেখানে অনেক বড় সাহাবীও রা. আছেন – প্রকারান্তরে বিদআতী বলতে কুণ্ঠাবোধ করেন না। কিন্তু ডক্টর সাহেব ছিলেন ভিন্ন। তাঁর আলোচনায় মানুষ উভয় মতের প্রতি শ্রদ্ধা জেনেছে, সহনশীলতা শিখেছে।

গত ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৩ মিরপুর দারুস সালামে তিনি “আল্লাহর পথে দাওয়াহর বাধাসমূহ ও সেগুলো দূর করার উপায় (معوقات الدعوة إلى الله و كيفية معالجتها)” শীর্ষক আলোচনাসভার আয়োজন করেন, যেখানে উপস্থিত থাকেন মিডিয়ায় প্রতিষ্ঠিত ইসলামী আলোচকবৃন্দ ও আরো উলামায়ে কিরাম। তাঁর স্বপ্ন ছিল, এ বিষয়ে আরো সিরিজ মতবিনিময়ের আয়োজন করবেন। কিন্তু দেশের ক্রমবর্ধমান সমস্যার কারণে আর পারেন নি। এ বিষয়ে সে সময় ফেইসবুকে এই পোস্টটি দিয়েছিলাম: বিস্তারিত পড়ুন