আহলে হাদিস ও হানাফিদের মধ্যেকার মনোমালিন্য: আমি যা দেখেছি এবং যেমনটি দেখে যেতে চাই

Flowers

মাত্র এক প্রজন্ম আগের কথা। বৃহত্তর সমাজে ‘হুজুর’ বলে পরিচিত শ্রেণীটিকে বাদ দিলে সাধারণ বাঙালি মুসলিমের মধ্যে ইসলামের বাহ্যিক চর্চা ছিল না বললেই চলে। এরই মধ্যে ঘটে গেল এক নীরব বিপ্লব। বিগত প্রজন্মের উদাসীনতাকে ঝেড়ে ফেলে আমারই মতো অসংখ্য তরুণ ইসলামের সুশীতল ছায়াতলে আবারও ফিরে আসতে শুরু করল। সাধারণ মানুষের মধ্যে ইসলামকে জানার ও মানার আগ্রহ বাড়তে লাগল।

ইসলামকে জানার এই অদম্য আগ্রহ থেকে আমরা অনেকেই আবিষ্কার করলাম যে, বিস্তারিত পড়ুন

ইসলামকে নতুন করে খুঁজে পাওয়া তরুণদের উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি

Brown envelope

প্রিয় সুহৃদ,

শুভেচ্ছা নিও।

তোমার পরিবারে ইসলামের চর্চা হয়তো সেভাবে নেই। শৈশব ও কৈশোরে ইসলামী পরিবেশ তুমি পাওনি। পরিবার ও পরিবেশের প্রভাবে তুমিও একসময় তাদের মতোই ছিলে। এরপর যে কারণেই হোক, কোনো একটি সময়ে তুমি তোমার শেকড়ে ফিরে আসতে চাইলে। তোমার স্রষ্টাকে তুমি নতুন করে চিনতে শুরু করলে। তোমার জীবনে নতুন বাঁক এল। তুমি একজন ভালো মুসলিম হওয়ার চেষ্টা শুরু করলে। পদে পদে তোমাকে নানাবিধ বাঁধা-বিপত্তি মোকাবেলা করতে হলো। তুমি হাল ছাড়লে না। আজও তুমি হাল ছাড়নি।

তোমাকে অভিনন্দন।  বিস্তারিত পড়ুন

জুমু’আর নামাযের সময়ে কোনো কাজ বা বিনোদন নয়

jama-masjid-delhi

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেরি করে জুমু’আর নামায পড়তে বের হচ্ছি। বাংলাতে বয়ান শেষ হওয়ার পর চার রাকাত নামায আদায় করার জন্য যে বিরতি দেওয়া হয় সেই সময়ে উপস্থিত হওয়ার চেষ্টা করছি। ভাঙাচোরা আরবি যতটুকু বুঝতে পারি তাতেই মোটামুটি কাজ চলে যাচ্ছে।

যাওয়ার পথে দেখি মুচি জুতা সেলাই করছে। নির্মাণকর্মী ইট ভাঙছে। দোকানদার দোকান খুলে বসে আছে। রেস্তোরাঁকর্মী মুরগি নিয়ে ব্যস্ত। ছাপাখানার কর্মী বই বাঁধাইয়ের কাজে মগ্ন। সুন্নতি দাঁড়িওয়ালা শ্রমজীবি মানুষ পর্যন্ত কাজে লিপ্ত। বিস্তারিত পড়ুন

সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতদের ইসলাম নিয়ে গবেষণামূলক কাজ করার সম্ভাব্য বিপদ

inside-library

২০১৫ সালের নভেম্বর মাসের শেষের দিকের কথা। একজন পোস্ট-গ্র্যাজুয়েট স্টুডেন্ট হিসেবে তখন আমি থাকতাম মালয়েশিয়াতে। আমাদের ইন্সটিটিউটেরই একজন বাংলাদেশী পি.এইচ.ডি. গবেষক আমাকে ফোন দিলেন। বাংলাদেশ থেকে আসা অনেক সিনিয়র একজন প্রফেসর অল্প কয়েকদিনের জন্য তাঁর বাসায় উঠেছেন। আমাকে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে বললেন।  বিস্তারিত পড়ুন

আশুরা – যেদিন সাগর হয়েছিল দ্বিখন্ডিত, কারবালা হয়েছিল রক্তাক্ত (অনুবাদ)

দাউদ ওয়ালিদ-এর একটি লেখা থেকে পরিমার্জিত আকারে অনুদিত।

solitary-confinement-cell

মুহাররম। হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস। বছরের যে চারটি সম্মানিত মাসে রক্তপাত নিষিদ্ধ তার মধ্যে একটি মাস হলো এই মুহাররম। কেবলই এর ধর্মীয় তাৎপর্যের কারণে নয়, ইতিহাসের পাতায়ও এই মাসের গুরুত্ব অপরিসীম। এর মধ্যে দুটি ঘটনা বিশেষভাবে উল্লেখ্য, যা সংঘটিত হয়েছিল এই মাসের দশম দিনে। বনি ইসরাঈল এই দিনেই ফিরাউনের কবল থেকে অলৌকিক উপায়ে মুক্তি লাভ করেছিল। ইমাম হুসাইন (رضي الله عنه) এবং তাঁর সহযাত্রীরা এই দিনেই শাহাদাত বরণ করেছিলেন।

***

কুরআনে বর্ণিত নিকৃষ্টতম মানুষ হলো ফিরাউন। সে নিজেকে “আমি তোমাদের শ্রেষ্ঠ প্রতিপালক” বলে ঘোষণা করার মতো দুঃসাহস দেখিয়েছিল। বনি ইসরাঈলকে সে দাস বানিয়ে রেখেছিল। তাদের প্রতি তার আচরণ এক পর্যায়ে এতটাই নির্দয় হয়ে উঠেছিল যে, বনি ইসরাঈলের সদ্য ভূমিষ্ঠ প্রতিটি ছেলে সন্তানকে হত্যা করতেও সে কুন্ঠিত হয়নি। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধাচরণ করার ‘অপরাধে’ নিজের স্ত্রী আসিয়াকে পর্যন্ত শিরশ্ছেদ করে মেরে ফেলার নির্দেশ সে দিয়েছিল। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার বলে বলীয়ান হয়ে একজন মানুষ কতটুকু পর্যন্ত নিচে নামতে পারে তার একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলো ফিরাউন।

এমনই দম বন্ধ হয়ে আসা একটি পরিস্থিতিতে বিস্তারিত পড়ুন